সাদা না বাদামি—কোন ডিমে লুকিয়ে বেশি শক্তি? সত্য জানলে অবাক হবেন!
ডিমকে বলা হয় সুপারফুড যা উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২, কোলিন এবং লুটিনের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখার পরামর্শ দিলেও বাজারে সাদা ও বাদামি ডিমের উপস্থিতি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে। মূলত মুরগির জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে ডিমের খোলসের রঙে ভিন্নতা দেখা দেয়; সাদা পালকের মুরগি সাদা এবং লালচে পালকের মুরগি বাদামি ডিম পেড়ে থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খোলসের রঙের সাথে ডিমের অভ্যন্তরীণ পুষ্টিগুণের কোনো সম্পর্ক নেই। সাদা ও বাদামি উভয় প্রকার ডিমে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ডি এবং আয়রনের পরিমাণ প্রায় সমান থাকে। বাদামি ডিম বেশি প্রাকৃতিক বা স্বাস্থ্যকর—এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ডিমের গুণমান মূলত নির্ভর করে মুরগির খাদ্যতালিকায় থাকা পুষ্টি এবং পালনের পরিবেশের ওপর।
বাজারে অনেক সময় বাদামি ডিমের দাম বেশি হলেও এর কারণ হলো ওই নির্দিষ্ট প্রজাতির মুরগি পালনে খরচ ও খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা বেশি হওয়া। পুষ্টির দিক থেকে কোনোটিই অন্যটির চেয়ে পিছিয়ে নেই, তাই ক্রেতারা পছন্দমতো যেকোনো ডিম বেছে নিতে পারেন। তবে উচ্চ কোলেস্টেরল বা বিশেষ শারীরিক সমস্যা থাকলে ডিম খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

