লেটেস্ট নিউজ

সিফুড অ্যালার্জি ও ফুড পয়জনিং: সামুদ্রিক খাবার খাওয়ার আগে সাবধানতা জরুরি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া বা স্কুইড খেয়ে সম্প্রতি একাধিক অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শারীরিক সমস্যার মূল কারণ মূলত দুটি—অ্যালার্জি এবং ফুড পয়জনিং। সিফুডে থাকা প্রোটিনকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শত্রু মনে করলে অ্যালার্জি হয়, যা থেকে শ্বাসকষ্ট বা রক্তচাপ কমে প্রাণহানি ঘটতে পারে। অন্যদিকে, ই-কোলাই বা শিগেলা ব্যাকটেরিয়ার টক্সিন থেকে হওয়া ফুড পয়জনিং দ্রুত মারাত্মক আকার নেয়।

অ্যালার্জির মতো উপসর্গ অনেক সময় খাবারে মেশানো কৃত্রিম রঙ, প্রিজারভেটিভ বা রাসায়নিক থেকেও হতে পারে, যাকে ‘সুইডো অ্যালার্জি’ বলা হয়। এছাড়া, সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষিত না হওয়া মাছে অতিরিক্ত ‘হিস্টামিন’ তৈরি হয়, যা রান্নার পরেও নষ্ট হয় না। এটি খেলে ‘স্কমব্রয়েড ফিশ পয়জনিং’ হতে পারে। প্রত্যেকের শারীরিক সংবেদনশীলতা ভিন্ন হওয়ায় একই খাবার সবার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে।

সুস্থ থাকতে টাটকা ও সঠিক পদ্ধতিতে সংরক্ষিত সিফুড বেছে নেওয়া জরুরি। রান্নার পরিবেশ ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ফুড পয়জনিং রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামুদ্রিক খাবার খাওয়ার পর চুলকানি, বমি বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রেস্তোরাঁ ও গ্রাহক—উভয়কেই খাদ্যের গুণমান ও উপাদানের বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *