১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে শুরু হচ্ছে ‘স্বনির্ভর বাংলা’ ক্যাম্প, যুবসাথী থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ফের শুরু হচ্ছে বিশেষ সরকারি ক্যাম্প। ‘দুয়ারে সরকার’-এর ধাঁচে এবার ‘স্বনির্ভর বাংলা’ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে যাবে একাধিক প্রকল্পের সুবিধা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।
মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ইতিমধ্যে সমস্ত জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রস্তুতির রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন। এই ক্যাম্পের মূল আকর্ষণ যুবসাথী প্রকল্প হলেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং কৃষকদের জন্যও থাকছে বিশেষ সুবিধা।
ক্যাম্পের নির্ঘণ্ট ও সময়সূচি
রাজ্যের প্রতিটি ব্লকের বিডিও অফিস, পুরসভা এবং জনবহুল এলাকায় এই শিবির বসবে।
- তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (ছুটির দিন বাদে)।
- সময়: প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
কোন কোন প্রকল্পের কাজ হবে?
শিবিরে প্রধানত চারটি দফতরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে রয়েছে:
- যুব কল্যাণ দফতর: যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন ও পুনর্নবীকরণ।
- নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সংক্রান্ত কাজ।
- কৃষি ও বিদ্যুৎ দফতর: কৃষক ও ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের সেচ ও জলকর সংক্রান্ত সুবিধা।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি
যুবসাথী বা অন্যান্য প্রকল্পে আবেদনের জন্য ইচ্ছুক প্রার্থীদের সঙ্গে রাখতে হবে:
- আধার কার্ডের কপি।
- মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড।
- ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতার জেরক্স।
- জাতিগত শংসাপত্র (যদি থাকে)।
- ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
নবান্নের বিশেষ নির্দেশনা
নবান্ন জানিয়েছে, আবেদনকারীদের সই করা ফর্ম ক্যাম্পে জমা দেওয়ার পর আধিকারিকরা তা যাচাই করে নির্দিষ্ট পোর্টালে (wbsportsandyouth.gov.in) আপলোড করবেন। ভিড় সামলাতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় থানার সহযোগিতা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ১ এপ্রিল থেকে যুবসাথী প্রাপক এবং কৃষকদের জন্য সেচের জলকর সম্পূর্ণ মকুব করার যে ঘোষণা সরকার আগে করেছিল, সেই সংক্রান্ত প্রক্রিয়াও এই ক্যাম্পের মাধ্যমে ত্বরান্বিত করা হবে।

