২০% রিটার্নে বাজিমাত! অস্থির বাজারেও এই ৫ ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ডে মিলছে বাম্পার লাভ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
শেয়ার বাজারের বর্তমান অস্থিরতায় যখন অনেক বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিও লোকসানের মুখে, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে ফ্লেক্সি ক্যাপ মিউচুয়াল ফান্ড। বিশেষ করে ৫টি নির্দিষ্ট ফান্ড গত তিন বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশেরও বেশি বার্ষিক রিটার্ন (CAGR) দিয়ে চমকে দিয়েছে।
কেন ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ডের ওপর বাড়ছে ভরসা?
ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর বিনিয়োগের স্বাধীনতা। এই ফান্ডে লার্জ ক্যাপ, মিড ক্যাপ বা স্মল ক্যাপ— সব ধরনের কো ম্পা নিতেই বিনিয়োগের সুযোগ থাকে। ফান্ড ম্যানেজার বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝে সুবিধাজনক খাতের শেয়ারে মূলধন সরাতে পারেন, যা কঠিন সময়েও বিনিয়োগকে সুরক্ষা দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে মোটা অঙ্কের মুনাফা নিশ্চিত করে।
সেরা পারফর্মারদের তালিকা একনজরে
১. আইসিআইসিআই প্রুডেনশিয়াল রিটায়ারমেন্ট (পিওর ইক্যুইটি):
এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে এই ফান্ডটি। গত ৩ বছরে এর বার্ষিক গড় রিটার্ন বা CAGR ২৩ শতাংশ। বর্তমানে এই ফান্ডের মোট সম্পদের পরিমাণ (AUM) ১,৬৪২ কোটি টাকা এবং এক্সপেন্স রেশিও ২ শতাংশ।
২. আইসিআইসিআই প্রুডেনশিয়াল ফোকাসড ইক্যুইটি:
পারফরম্যান্সের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে থাকা এই ফান্ডের ৩ বছরের CAGR ২২ শতাংশ। এর ম্যানেজমেন্টের অধীনে রয়েছে ১৪,৫৬৯ কোটি টাকার সম্পদ। ফান্ডটির এক্সপেন্স রেশিও ১.৭ শতাংশ।
৩. মতিলাল অসওয়াল ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ড:
বিনিয়োগকারীদের আস্থায় অবিচল এই ফান্ডের ৩ বছরের রিটার্ন ২১ শতাংশ। বর্তমানে এর AUM ১৩,৮৬২ কোটি টাকা এবং খরচ বা এক্সপেন্স রেশিও ১.৭ শতাংশ।
৪. এইচডিএফসি ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ড:
অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের পছন্দের এই ফান্ডটি গত তিন বছরে ২০.৬ শতাংশ হারে রিটার্ন দিয়েছে। এর বিশাল সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৬,২৯৫ কোটি টাকা। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর স্বল্প এক্সপেন্স রেশিও, যা মাত্র ১.৩ শতাংশ।
৫. পরাগ পারিখ ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ড:
জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এই ফান্ডটি ২০.৫ শতাংশ CAGR বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ১ লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিশাল অ্যাসেট বেস থাকা সত্ত্বেও এর এক্সপেন্স রেশিও মাত্র ১.৩ শতাংশ রাখা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য বাড়তি পাওনা।
বাজারে অনিশ্চয়তা থাকলেও অভিজ্ঞ ফান্ড ম্যানেজারদের হাত ধরে এই ফান্ডগুলো ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করে চলেছে। তবে বিনিয়োগের আগে বাজার ঝুঁকি এবং নিজের লক্ষ্যের কথা মাথায় রেখে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

