লেটেস্ট নিউজ

২১০ টাকা থেকে ২ লক্ষের সফর: মেঝেতে ঘুমানো সেই যুবকের রূপকথার উত্থান – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

একসময় পকেটে ছিল মাত্র ২১০ টাকা, রাত কাটত শক্ত মেঝেতে। আজ সেই যুবকের মাসিক আয় ২ লক্ষ টাকা। অভাবকে জয় করে আকাশছোঁয়া সাফল্যের এই গল্প কোনো সিনেমার চিত্রনাট্য নয়, বরং এক অদম্য জেদি ইঞ্জিনিয়ারের বাস্তব জীবনযুদ্ধ। দারিদ্র্যের কশাঘাত থেকে আইটি সেক্টরের শিখরে পৌঁছানোর এই কাহিনী এখন নেটপাড়ায় অনুপ্রেরণার নামান্তর।

কঠিন মাটি থেকে স্বপ্নের উড়ান

মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হওয়া এই যুবক ছাত্রজীবনে খুব একটা মেধাবী ছিলেন না। একের পর এক ব্যর্থতা আর চ্যালেঞ্জে জর্জরিত ছিল তার জীবন। কিন্তু পরিবারের নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর দশা তাকে বাধ্য করে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে। একদিন যে পরিবারটি ছেলের স্কুল ট্রিপের ৩০০ টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খেত, সেই অভাবই তার জেদ বাড়িয়ে দেয়।

হায়দ্রাবাদের সংগ্রাম ও জেদ

উন্নত জীবনের আশায় হায়দ্রাবাদে পাড়ি দিয়ে শুরু হয় আসল লড়াই। মাথার ওপর ঠিকমতো ছাদ ছিল না, জুটত না দুবেলা খাবার। নিজের ল্যাপটপ কেনার সামর্থ্য না থাকলেও হার মানেননি তিনি। দিনের পর দিন ইন্টারনেট ক্যাফেতে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছেন নতুন প্রযুক্তি শিখতে। মেঝেতে শুয়ে রাত কাটানো সেই দিনগুলোই আজ তাকে মাসে ২ লক্ষ টাকা আয়ের যোগ্য করে তুলেছে।

বাবা-মায়ের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার

সাফল্যের এই দীর্ঘ যাত্রায় তার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো নিজের উপার্জনে বাবা-মায়ের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করা। ১০ বছরের ব্যবধানে তার অভাবনীয় পরিবর্তনের ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এই কাহিনী প্রমাণ করে যে, দারিদ্র্য বা ব্যর্থতা কোনোটিই স্থায়ী নয়। সঠিক লক্ষ্য আর অটল পরিশ্রম থাকলে শূন্য থেকেও সাম্রাজ্য গড়া সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *