নির্বাচনের আগে পকেটে টান পড়লে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? ভাতা না বাড়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন রাজ্যের ইমামরা
নিউজ ডেস্ক : ভোটের মুখে রাজ্যের বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে সিভিক ভলান্টিয়র—সবার ভাতা বাড়লেও ব্রাত্য রয়ে গেলেন ইমাম ও মোয়াজ্জেমরা। আশা কর্মীদের ভাতা সামান্য বাড়লেও তাতে মন ভরেনি তাদের। এই বৈষম্য কি ভোটের বাক্সে প্রভাব ফেলবে? বর্তমান বাজারে যেখানে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া, সেখানে মাত্র ৩০০০ টাকায় সংসার চালানো আসাম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়েছে ধর্মীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে।
জলপাইগুড়ির তৃণমূলপন্থী ইমাম জাহিরুল ইসলাম সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, অন্তত ৫০০ টাকা বাড়লেও সরকারের সদিচ্ছা বোঝা যেত। সিভিক বা অঙ্গনওয়ারি কর্মীদের মতো তাদের দিকটি কেন নজরে এল না, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়া এই মানুষগুলোর দাবি, মূল্যবৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে ভাতা না বাড়ালে আসন্ন দিনে জীবনধারণ আরও কঠিন হয়ে পড়বে। ইমামদের এই জমায়েত হওয়া ক্ষোভ এখন রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

