লেটেস্ট নিউজ

মহাশিবরাত্রিতে মহাদেবকে প্রসন্ন করার অব্যর্থ উপায়, এই কয়েকটি জিনিস দান করলেই ফিরবে ভাগ্য – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার পালিত হবে পবিত্র মহাশিবরাত্রি। দেবাদিদেব মহাদেব এবং মাতা পার্বতীর দিব্য মিলনের এই উৎসব ভক্তদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, এই বিশেষ দিনে ব্রত পালন এবং বিশেষ কিছু বস্তু দান করলে জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।

তিথি ও মাহাত্ম্য

পঞ্জিকা মতে, চতুর্দশী তিথি ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ০৪ মিনিটে শুরু হয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ৩৪ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। মহাশিবরাত্রির নিশীথ কালে শিবপূজা করা সবথেকে ফলদায়ী বলে মনে করা হয়। এই দিনে ভক্তিভরে দান করলে জাতকের জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি দূর হয়।

যে বস্তুগুলি দান করা বিশেষ শুভ

  • অন্ন ও শ্বেত বস্ত্র দান: শাস্ত্রে অন্নদানকে মহাদান বলা হয়েছে। মহাশিবরাত্রিতে অভাবী মানুষকে চাল, গম বা চিনি দান করা অত্যন্ত পুণ্যদায়ক। যেহেতু মহাদেব সাদা রঙ পছন্দ করেন, তাই দুধ, দই বা ঘি দান করলে মানসিক শান্তি মেলে এবং সংসারে সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
  • বস্ত্র ও সৌভাগ্য দ্রব্য: পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সাদা বা হলুদ রঙের পোশাক দান করা শুভ। মহাদেব ও পার্বতীর বিবাহের এই পুণ্য তিথিতে বিবাহিত নারীদের চুড়ি, সিঁদুর বা আলতা উপহার দিলে দাম্পত্য জীবনে সুখ বজায় থাকে।
  • তিল ও গুড়: জীবন থেকে অশুভ শক্তির বিনাশ এবং আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন করতে কালো তিল দান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া গুড় ও ঘি দান করলে শারীরিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।

দানের সঠিক নিয়ম

পূজা শেষ করে বা প্রদোষ কালে দান করা সবথেকে শ্রেয়। দান করার সময় মনে কোনো অহংকার রাখা উচিত নয়। কোনো মন্দির বা অসহায় মানুষকে পরিষ্কার ও ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী দান করার আগে মনে মনে তা মহাদেবকে উৎসর্গ করার সংকল্প করা জরুরি। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শুদ্ধ চিত্তে করা সামান্য দানও মানুষের জীবনে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *