লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও বার্ধক্য ভাতা কি অধরাই থেকে যাবে, মালদহে শয়ে শয়ে পরিবারের চরম ক্ষোভ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
নিউজ ডেস্ক : সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আশায় মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরছেন মালদহের পুরাতন খানপুর গ্রামের শয়ে শয়ে মানুষ। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে বিধবা ও বার্ধক্য ভাতা—সব আছে খাতায় কলমে, কিন্তু বাস্তবে গ্রামের প্রায় ৩০০টি পরিবারের ভাগ্যে জোটেনি কিছুই। দুয়ারে সরকার থেকে পঞ্চায়েত অফিস, বারবার আবেদন করেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র বঞ্চনার ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। দৈনন্দিন অভাবের সংসারে এই সামান্য সরকারি সাহায্যটুকু না পৌঁছানোয় বিপাকে পড়েছেন অসহায় মহিলারা ও প্রবীণ নাগরিকরা।
স্থানীয় বিধায়ক ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নথিগত ত্রুটির কথা বলা হলেও, গ্রামবাসীদের প্রশ্ন আর কতদিন এই অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটাতে হবে তাদের। ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করা বা বিড়ি বেঁধে দিন গুজরান করা এই পরিবারগুলোর কাছে ভাতার টাকা অত্যন্ত জরুরি। মালতীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের এই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে থাকলেও সাধারণ মানুষের চাওয়া কেবল তাদের প্রাপ্য অধিকার। মহকুমাশাসক বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন ঠিকই, তবে শেষ পর্যন্ত কবে এই অসহায় পরিবারগুলোর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে, সেটাই এখন দেখার।

