টেট নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান চরম হতাশায় দিন কাটছে হাজার হাজার শিক্ষকের – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
কলকাতা সফরে এসেও টেট উত্তীর্ণ হওয়া নিয়ে Supreme \titleonly কোর্টের নির্দেশের মুখে পড়া শিক্ষকদের কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দিলেন না কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার ই এম বাইপাস সংলগ্ন একটি ক্লাবে আয়োজিত সভায় কয়েক হাজার শিক্ষক উপস্থিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মুখ থেকে কোনো ইতিবাচক সমাধানের আশায়। কিন্তু কার্যত নিরাশ হয়েই ফিরতে হলো তাঁদের।
ডবল ইঞ্জিন সরকারের শর্তে ঝুলে রইল শিক্ষকদের ভাগ্য
Supreme \titleonly কোর্টের নির্দেশে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কর্মরত শিক্ষকদের জন্য টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশের ফলে দেশজুড়ে শিক্ষক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষকদের আশা ছিল, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হয়তো এনসিটিই (NCTE) বিধি সংশোধন বা অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে কোনো আইনি রক্ষাকবচ দেবেন। কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধান সমাধানের পরিবর্তে রাজনৈতিক বার্তাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার অর্থাৎ বিজেপি ক্ষমতায় এলে তবেই এই সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ করা হবে। এই মন্তব্যে শিক্ষকদের একটি বড় অংশ ক্ষুব্ধ এবং হতাশ।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি বনাম ব্রাত্য বসুর পরিসংখ্যান
এদিনের সভায় ধর্মেন্দ্র প্রধান রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা, স্কুলের সংখ্যা এবং ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু পাল্টা কড়া জবাব দিয়েছেন। নিজের এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেলে আটটি পয়েন্ট তুলে ধরে তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রতিটি অভিযোগ পরিসংখ্যান দিয়ে খণ্ডন করেন। ব্রাত্য বসুর দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করছেন।
সমাধানের পথ কি অর্ডিন্যান্স
শিক্ষক সেলের নেতা পিন্টু পাড়ুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে যুক্তি দিয়েছিলেন যে, শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগের বিজ্ঞপ্তিতে নিযুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে টেট আবশ্যিক করা ন্যায়সঙ্গত নয়। অতীতে পিটিটিআই সমস্যার সময় যেভাবে অর্ডিন্যান্স এনে সমাধান করা হয়েছিল, এবারও সেই পথেই হাঁটার অনুরোধ জানান তাঁরা। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরাসরি কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। শিক্ষকদের একাংশের মতে, আদালতের রায়ের দোহাই দিয়ে এবং ভোটের সমীকরণকে সামনে রেখে শিক্ষকদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

