ক্রিকেট কূটনীতি: ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে তৎপর তারেক রহমানের নতুন সরকার
বাংলাদেশে নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে ক্রিকেটীয় ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে বিশেষ জোর দিচ্ছে। নবনিযুক্ত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তথা জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সদ্যসমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, যা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
আগের সরকারের আমলে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে ফাটল ধরেছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৎকালীন সময় ভারতবিদ্বেষী মনোভাব বজায় রাখার চেষ্টা করা হলেও বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে নারাজ। বিশেষ করে সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর স্থগিত হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিসিবি, যা নিরসনে এখন আলোচনার পথ খুঁজছে ঢাকা।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি মনে করেন, কূটনৈতিক জটিলতাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা গেলে বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হারাত না। খেলাধুলার পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রেও ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে চাইছে বর্তমান প্রশাসন।

