ভোটার তালিকায় অসঙ্গতি: সংখ্যালঘু এলাকায় নাম রিভিউয়ের অভিযোগে সরব তৃণমূল
রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে নতুন বিতর্ক দানা বেঁধেছে। অভিযোগ উঠেছে, অনেক ভোটারের নথি নির্বাচনী আধিকারিকরা যাচাই করে দিলেও রোল অবজার্ভারদের লগ-ইন থেকে সেগুলি পুনরায় ‘রিভিউ’ তালিকায় পাঠানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই এই প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। একটি জেলাতেই এমন ভোটারের সংখ্যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দেড় হাজার থেকে বেড়ে আট হাজারে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
এই ইস্যুতে বুধবার বিকেলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দপ্তরে মহুয়া মৈত্র, ব্রাত্য বসু ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল প্রতিবাদ জানায়। তাঁদের অভিযোগ, আধিকারিকদের লগ-ইন ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এছাড়া, স্পেশ্যাল রোল অবজার্ভার সি মুরুগানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশিকা পাঠানোর অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সিইও দপ্তরের মতে, নির্দিষ্ট নথিপত্রের অভাবে বা ত্রুটিপূর্ণ তথ্য জমা পড়লে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলে, এখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কোনো স্থান নেই। স্পেশ্যাল অবজার্ভার মুরুগান জানিয়েছেন, তিনি কেবল বিদ্যমান নিয়মের ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কোনো নতুন নির্দেশ জারি করেননি। তবে পশ্চিমাঞ্চল বাদে রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলি থেকেও ভোটার তালিকায় এমন নাম রিভিউতে পাঠানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে।

