লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতে ব্যর্থ চুঁচুড়ার এমএ পাশ যুবতী, এবার ভিড়লেন বেকার ভাতার লাইনে
বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনের জটিলতায় দু’বার আবেদন করেও ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সুবিধা পাননি চুঁচুড়ার উচ্চশিক্ষিত যুবতী তানিয়া মণ্ডল দাস। মাধ্যমিক ও ভোটার কার্ডে বাপের বাড়ির পদবি থাকলেও আধার ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে শ্বশুরবাড়ির পদবি যুক্ত হওয়ায় এই বিভ্রাট তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হতাশ হয়ে তানিয়া এবার রাজ্য সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় বেকার ভাতার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করা তানিয়া বর্তমানে কর্মহীন। তাঁর মতে, অন্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে একটি স্থায়ী চাকরি পাওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ফর্ম পূরণের খরচ জোগাতে এই সরকারি ভাতা কিছুটা সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন। যদিও পদবি সংক্রান্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে এবারও সরকারি সাহায্য মিলবে কি না, তা নিয়ে তাঁর মনে সংশয় রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে তানিয়ার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ। তিনি জানান, লক্ষ লক্ষ মহিলা এই সুবিধা পাচ্ছেন, তাই প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংশোধন করলে তানিয়াও প্রকল্পের আওতাভুক্ত হতে পারবেন। আবেদনকারীর যে কোনো কারিগরি বা নথি সংক্রান্ত সমস্যায় পুরসভা সবরকম সহযোগিতা করবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

