নকভির প্ররোচনায় বিশ্বকাপ বয়কট, বিসিবির সিদ্ধান্তে চরম সংকটে বাংলাদেশ ক্রিকেট
পাকিস্তানের উসকানিতে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ‘আত্মঘাতী’ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশিষ্ট ক্রীড়া প্রশাসক আশরাফুল হক। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক এই সিইও-র মতে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভির প্ররোচনায় পড়ে বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম এই হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করতে গিয়ে ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
রেভস্পোর্টস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশরাফুল হক জানান, তৎকালীন সরকার ও বিসিবি প্রধান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কূটনীতি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। নিরাপত্তা অজুহাতে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরানোর দাবিতে অনড় থাকা বিসিবি আইসিসি-র বারবার দেওয়া আশ্বাসও উপেক্ষা করেছিল। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং পরবর্তীতে বিশ্বকাপ বয়কট করার ফলে লিটন দাস, নাজমুল শান্ত ও সৌম্য সরকারের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ হারিয়েছেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেটে অভ্যন্তরীণ কলহ বা ‘গৃহযুদ্ধ’ শুরু হয়েছে। আশরাফুল হক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের ক্রিকেটের অকৃত্রিম বন্ধু, কিন্তু অহেতুক বিরোধিতার কারণে আজ দেশের ক্রিকেট সুদূরপ্রসারী ক্ষতির সম্মুখীন। ব্যক্তিগত স্বার্থ ও বিদেশের প্ররোচনায় পা দিয়ে বিসিবি বাংলাদেশের ক্রিকেটের যে অপূরণীয় ক্ষতি করেছে, তার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

