যোগব্যায়াম শিখতে গিয়ে হাড়হিম করা পরিণতি! খুদে ছাত্রীর দুই পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
হাওড়া: যোগব্যায়াম শেখানোর নামে সাড়ে তিন বছরের এক একরত্তির ওপর অমানবিক অত্যাচারের অভিযোগ উঠল হাওড়ার জগতবল্লভপুরে। প্রশিক্ষকের অত্যাচারে শিশুটির দুটি পা-ই ভেঙে গিয়েছে বলে দাবি পরিবারের। এই ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে এলাকা। বর্তমানে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ওই শিশুকন্যা।
ঠিক কী ঘটেছিল?
আক্রান্ত শিশুটির বাবা পেশায় একজন সেনা জওয়ান, যিনি বর্তমানে শ্রীনগরে কর্মরত। পরিবার সূত্রে খবর, প্রায় এক মাস আগে স্থানীয় যোগা শিক্ষক কার্তিক পাত্রের কাছে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছিল। অভিযোগ, শিশুটির বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর হওয়া সত্ত্বেও তার ওপর জোর করে কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যায়াম চাপিয়ে দিতেন ওই প্রশিক্ষক। শিশুটি ব্যথায় চিৎকার করলেও কর্ণপাত করতেন না কার্তিক। সম্প্রতি একটি সেশন চলাকালীন অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করায় শিশুটির দুটি পা-ই ভেঙে যায়।
চিকিৎসকদের আশঙ্কা:
তড়িঘড়ি শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, তার আঘাত অত্যন্ত গুরুতর। সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা এবং দীর্ঘমেয়াদি রিহ্যাবিলিটেশন না হলে ভবিষ্যতে শিশুটি স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তদন্তে পুলিশ:
এই ঘটনার পর জগতবল্লভপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত যোগা শিক্ষক কার্তিক পাত্র পলাতক। পুলিশ তার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বৈধতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা খতিয়ে দেখছে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

