এক মঞ্চে নক্ষত্র সমাবেশ! রূপঙ্কর থেকে পরমব্রত, মমতার হাত থেকে বঙ্গভূষণ নিলেন যাঁরা – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যের মুকুটে নতুন পালক যোগ করে শনিবার বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানে দেশপ্রিয় পার্কে আয়োজিত হলো বঙ্গসম্মান প্রদান অনুষ্ঠান। বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একগুচ্ছ কৃতি ব্যক্তিত্বের হাতে রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মান ‘বঙ্গভূষণ’ তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এবারের তালিকায় যেমন ছিলেন ধ্রুপদী ও লোকসংগীতের দিকপালরা, তেমনই আধুনিক বাংলা গান ও অভিনয় জগতের তরুণ তুর্কিরাও জায়গা করে নিয়েছেন। শিল্প-সংস্কৃতির পাশাপাশি প্রশাসনিক দক্ষতা এবং বিনোদন মাধ্যমের অবদানের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এ বছর।
বঙ্গভূষণ সম্মান পেলেন যাঁরা
শনিবারের এই মেগা ইভেন্টে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে স্মারক ও উত্তরীয় গ্রহণ করেছেন মোট ১৬ জন কৃতি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। প্রাপকদের তালিকাটি নিচে দেওয়া হলো:
- সংগীত জগত: আধুনিক বাংলা গানের জনপ্রিয় মুখ মনোময় ভট্টাচার্য, রাঘব চট্টোপাধ্যায় ও রূপঙ্কর বাগচী। লোকসংগীতের জগতে বিশেষ অবদানের জন্য কার্তিক দাস বাউল এবং কীর্তন ও ভক্তিগীতিতে অদিতি মুন্সী। শাস্ত্রীয় সংগীতে সমরেশ চৌধুরী।
- সংস্কৃতি ও সমাজ: কলেন্দ্র নাথ মান্ডি, শ্যামচাঁদ বাগদি, নন্দলাল বাউরী, মৃণালকান্তি বিশ্বাস, চন্দন লোমজেল এবং নাজমুল হক।
- চলচ্চিত্র ও প্রশাসন: বিশিষ্ট অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিবেক কুমার।
- বিনোদন মাধ্যম: বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়েছে দুই প্রধান বাংলা বিনোদন চ্যানেলকে— স্টার জলসা (প্রতিনিধিত্ব করেন সুমন্ত বসু) এবং জি বাংলা (প্রতিনিধিত্ব করেন নবনীতা চক্রবর্তী)।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা
দেশপ্রিয় পার্কের এই মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বাংলা তাঁর রত্নদের সম্মান জানাতে ভোলেনি। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের ঊর্ধ্বে গিয়ে গুটি কয়েক মানুষের সাধনাকে সাধারণের সামনে নিয়ে আসতেই এই উদ্যোগ। এদিন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশপ্রিয় পার্ক সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা যায়। সঙ্গীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্রদের এক মঞ্চে পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন সাধারণ মানুষও।

