লেটেস্ট নিউজ

স্বাস্থ্য বীমা করার আগে সতর্ক না থাকলে বাড়তে পারে ভোগান্তি

ক্রমবর্ধমান চিকিৎসা খরচের মোকাবিলায় বর্তমান সময়ে স্বাস্থ্য বীমা প্রতিটি পরিবারের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। হাসপাতালে ভর্তি বা অস্ত্রোপচারের আকাশছোঁয়া ব্যয় মেটাতে গিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় নিমেষেই শেষ হয়ে যেতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কেবল একটি পলিসি কেনাই যথেষ্ট নয়। শর্তাবলী না বুঝে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তীতে বীমার দাবি বা ক্লেম প্রত্যাখ্যাত হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থেকে যায়।

বীমা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পলিসির আসল বিষয়টি লুকিয়ে থাকে এর ছোট ছোট শর্ত ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে। বিশেষ করে ‘ওয়েটিং পিরিয়ড’ বা অপেক্ষার সময়কাল, বেড ভাড়ার সীমা এবং নির্দিষ্ট কিছু রোগের ক্ষেত্রে খরচের বিধিনিষেধ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। পলিসি নথিতে উল্লিখিত বর্জনীয় তালিকা বা ‘এক্সক্লুশন লিস্ট’ মনোযোগ দিয়ে না পড়লে দাবির অর্থ আংশিক বা সম্পূর্ণ বাতিল হতে পারে। প্রয়োজনে কো ম্পা নির প্রতিনিধির থেকে লিখিত ব্যাখ্যা নেওয়া উচিত।

পলিসি কেনার সময় চিকিৎসার ইতিহাস গোপন না করে প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও সৎ উত্তর দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যে কোনো অসঙ্গতি থাকলে বীমা সংস্থা পরবর্তীকালে দাবি খারিজ করে দিতে পারে। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তির সময় সমস্ত বিল, ডিসচার্জ সার্টিফিকেট ও চিকিৎসকের রিপোর্ট সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। নথিপত্রের পূর্ণাঙ্গতা এবং তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখলে স্বাস্থ্য বীমার সুবিধা পেতে কোনো অপ্রীতিকর জটিলতায় পড়তে হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *