ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনা: রোগীসহ বিমানে থাকা সাতজনেরই মৃত্যু
ঝাড়খণ্ডের চাত্রা জেলার ঘন জঙ্গলে এক ভয়াবহ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা সাতজন আরোহীরই মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে রাঁচি থেকে এক দগ্ধ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে স্থানান্তরের সময় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ওড়ানের কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে দুর্ঘটনাস্থল থেকে আরোহীদের দেহ ও বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়।
মৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুই পাইলট, চিকিৎসক এবং ৪১ বছর বয়সী রোগী সঞ্জয় কুমার। বিমানে থাকা সঞ্জয় কুমার শরীরের ৬৩ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিসিএ) জানিয়েছে, বারাণসী থেকে ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকাকালীন বিমানটি রাডার থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বৈরী আবহাওয়া এবং প্রবল বজ্রবৃষ্টির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রচণ্ড শব্দের সাথে বিমানটি আকাশ থেকে পড়ে যেতে দেখেন। বর্তমানে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) এবং প্রশাসনের বিশেষ দল দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

