২০৩৫ সালের মধ্যে মহাকাশের সুপারপাওয়ার ভারত! গগনযান থেকে চন্দ্রযান-৪ অভিযানে আসছে বড় চমক – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
February 28, 202611:00 am
নিউজ ডেস্ক
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ভারতের গর্বের জাতীয় বিজ্ঞান দিবস। ১৯২৮ সালের এই দিনে স্যার সিভি রমনের কালজয়ী আবিষ্কার ‘রমন ইফেক্ট’-কে স্মরণ করে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে এই বিশেষ দিনটি। তবে এবারের বিজ্ঞান দিবস কেবল অতীতের স্মৃতিচারণ নয়, বরং ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতকে বিজ্ঞানের বিশ্বশক্তিতে রূপান্তরের এক মহাপরিকল্পনার সাক্ষী হয়ে থাকছে।
চন্দ্রযান ৪ ও মহাকাশে ভারতের আধিপত্য
ভারতের পরবর্তী লক্ষ্য এখন চন্দ্রযান-৪। ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরু থেকে মাটি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে ইসরো। শুধু তাই নয়, জাপানের মহাকাশ সংস্থা ‘জাক্সা’-র সঙ্গে যৌথভাবে চন্দ্রযান-৫ মিশনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে পুরোদমে।
নিজেদের মহাকাশ স্টেশন ও ২০৪০-এ চাঁদে মানুষ
মহাকাশ গবেষণায় ভারত এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথে। ২০৩৫ সালের মধ্যে তৈরি হবে নিজস্ব ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের জন্য তৈরি হচ্ছে নেক্সট জেনারেশন লঞ্চ ভেহিকল ‘সূর্য’। আর ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদের মাটিতে ভারতীয় নভোচারী পাঠানো।
গগনযান ও রোবট ‘ব্যোমমিত্র’
২০২৭ সালে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে গগনযান মিশন। তার আগে ২০২৬ সালের মধ্যেই মহাকাশে পাঠানো হবে মানবসদৃশ রোবট ‘ব্যোমমিত্র’-কে, যা ভারতের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক অনন্য নিদর্শন হতে চলেছে।
অর্থনীতি ও বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব
বর্তমানে বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতের অংশীদারি ২ শতাংশ, যা দ্রুত ৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মহাকাশ গবেষণা থেকে হাইপারসনিক প্রযুক্তি—সব ক্ষেত্রেই ভারত এখন আত্মনির্ভরতার পথে। সিভি রমনের দেখানো সেই বিজ্ঞানের আলোয় আজ ভারত বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

