লেটেস্ট নিউজ

সমুদ্রের অতল থেকে শত্রু সাবমেরিন খুঁজে শেষ করবে এই ‘ডলফিন হান্টার’ আইএনএস অঞ্জদীপ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ভারতীয় নৌসেনার ভাঁড়ারে এল নতুন ব্রহ্মাস্ত্র। চেন্নাইয়ের উপকূলে জলে ভাসল অ্যান্টি-সবমেরিন ওয়ারশিপ আইএনএস অঞ্জদীপ। অত্যাধুনিক ‘সোনার’ সিস্টেমে ঠাসা এই যুদ্ধজাহাজকে ডাকা হচ্ছে ‘ডলফিন হান্টার’ নামে। কারণ, সমুদ্রের গভীরে থাকা শত্রুপক্ষের অতি ক্ষুদ্র সাবমেরিনের নিঃশব্দ নড়াচড়াও এটি ধরে ফেলবে নিখুঁতভাবে।

কেন নৌসেনা প্রধানের মুখে ‘চটনি’র গল্প

এই রণতরী উদ্বোধনের সময় নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল দিনেশ ত্রিপাঠী স্মরণ করলেন ১৯৬১ সালের ঐতিহাসিক ‘অপারেশন চটনি’। এটি ছিল গোয়া, দমন ও দিউকে পর্তুগিজ শাসনমুক্ত করার প্রথম ধাপ। সমুদ্রপথে পর্তুগিজদের রসদ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতেই এই সাংকেতিক নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই অভিযানেই কর্ণাটকের কারওয়ার উপকূলের ‘অঞ্জদীপ’ দ্বীপটি দখল করেছিল ভারতীয় সেনা। সেই বীরত্বের স্মৃতিতেই নতুন এই ঘাতক জাহাজের নামকরণ।

আইএনএস অঞ্জদীপের বিশেষত্ব

  • অব্যর্থ লক্ষ্য: টর্পেডো এবং রকেটে সজ্জিত এই জাহাজ সমুদ্রের অগভীর জলেও শত্রুকে ধাওয়া করতে সক্ষম।
  • শব্দহীন ঘাতক: বড় যুদ্ধজাহাজগুলো উপকূলের কোলাহলে অনেক সময় বিভ্রান্ত হয়, কিন্তু অঞ্জদীপ যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ এড়িয়ে ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনও খুঁজে বের করতে পারে।
  • ঐতিহ্যের প্রত্যাবর্তন: ১৯৭২ সালে প্রথমবার নৌবাহিনীতে আসা এই নামের রণতরীটি ২০০৩ সালে অবসর নেয়। ২০২৬-এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে পুনর্জন্ম হলো এই ‘লিজেন্ড’-এর।

আত্মনির্ভর ভারতের এই নতুন শক্তি এখন সমুদ্রের অতন্দ্র প্রহরী। উপকূলের নিরাপত্তায় এর অন্তর্ভুক্তি শত্রু দেশগুলোর জন্য কড়া বার্তা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *