লেটেস্ট নিউজ

বি-২ স্পিরিট থেকে এফ-২২ র‍্যাপ্টর ইরানে আমেরিকার ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র বিধ্বংসী অস্ত্র তালিকা দেখে নিন – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ইরানের ১০০০টি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলা ঘিরে তোলপাড় বিশ্ব। ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার এটাই সবথেকে বড় সামরিক অভিযান। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে এই অভিযানে ২৩টিরও বেশি অত্যাধুনিক ও মারাত্মক মারণাস্ত্র ব্যবহার করেছে পেন্টাগন। এক নজরে দেখে নিন তেহরানের সামরিক পরিকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে কোন কোন যুদ্ধবিমান ও প্রযুক্তি কাজে লাগাল জো বাইডেনের দেশ।

ইরানের আকাশে মার্কিন ত্রাস

বি-২ স্পিরিট (B-2 Spirit)

সরাসরি আমেরিকা থেকে উড়ে এসে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কেন্দ্রগুলোতে ৯০০ কেজিরও বেশি ওজনের গাইডেড বোমা ফেলেছে এই বোমারু বিমান। প্রথম ধাপেই চারটি বি-২ বিমান অভিযানে অংশ নেয়।

এফ-৩৫ লাইটনিং টু (F-35 Lightning II)

আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৩০টি এফ-৩৫ স্টেলথ বিমান মোতায়েন করেছে। এর পাশাপাশি মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ থেকেও এই বিমানগুলো হামলা চালিয়েছে।

এফ-২২ র‍্যাপ্টর (F-22 Raptor)

শত্রু বিমানকে প্রতিহত করতে এবং আকাশসীমায় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই প্রথম ইজরায়েলে এফ-২২ র‍্যাপ্টর মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন।

লুকাস ড্রোন (LUCAS Drones)

এটি একটি ‘ওয়ান ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’। স্বল্প খরচে শত্রুর ওপর নির্ভুল আঘাত হানতে আমেরিকায় তৈরি এই চালকবিহীন যুদ্ধাস্ত্রটি প্রথমবার ইরানে ব্যবহার করা হয়েছে।

অন্যান্য বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র

  • এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন: ইরানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করতে কয়েক ডজন এফ-১৬ ব্যবহার করা হয়েছে।
  • এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু: স্থলবাহিনীর ওপর আধিপত্য বিস্তার ও শত্রুঘাঁটি ধ্বংস করতে এই শক্তিশালী বিমানটি কাজে লাগানো হয়েছে।
  • ইএ-১৮ গ্রাউলার: শত্রু রাডার ও সুরক্ষা ব্যবস্থাকে বিকল বা জ্যাম করে দেওয়ার জন্য এই বিশেষ বিমানগুলো ব্যবহার করা হয়।
  • এম-১৪২ রকেট সিস্টেম: একসাথে ছয়টি মিসাইল ছুড়তে সক্ষম এই হাই মোবিলিটি সিস্টেমের মাধ্যমে ইরানের সামরিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

কেন এই ভয়াবহ হামলা?

তেহরানের পরমাণু প্রকল্প ও ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই অভিযান শুরু হয়। গোয়েন্দা সূত্রে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পরেই আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে এই হামলা চালায়। পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সদর দপ্তর, সাবমেরিন এবং কমান্ড কন্ট্রোল সেন্টারগুলোই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। পালটা জবাবে ইরানও ড্রোন ও মিসাইল ছুড়েছে, যাতে তিন মার্কিন সেনা ও ১২ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *