কালীগঞ্জে প্রার্থী নিয়ে কোন্দল সাত সিপিএম কর্মীকে বহিষ্কারের কঠোর সিদ্ধান্ত – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভা নির্বাচনে নিহত শিশু তমন্না খাতুনের মা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করা নিয়ে সিপিএমের অভ্যন্তরীণ বিবাদ তুঙ্গে উঠেছে। প্রার্থী ঘোষণার পরই স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আসবাবপত্র তছনছ করার অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ করল আলিমুদ্দিন। এই বিশৃঙ্খলার দায়ে সইদুল শেখ ও সেন্টু শেখসহ মোট সাতজন সক্রিয় সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করেছেন নদিয়া জেলা সিপিএম সম্পাদক মেঘলাল শেখ।
গত বছর উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বোমা ফেটে মৃত্যু হয়েছিল ৯ বছরের তমন্নার। সেই পরিবারের প্রতি সংহতি জানিয়ে সাবিনাকে প্রার্থী করায় দলের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়। গত মঙ্গলবার বামফ্রন্টের প্রথম দফার তালিকায় তাঁর নাম আসতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কালীগঞ্জ। দলীয় কর্মীদের হাতাহাতি ও বিক্ষোভের জেরে প্রকাশ্যে চলে আসে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই দ্রুত এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।
তৃণমূলসহ বিরোধীরা এই মনোনয়নকে ‘মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি’ বলে কটাক্ষ করলেও অনড় সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের ইচ্ছাতেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন এবং বিক্ষোভে বিরোধী দলের প্ররোচনা রয়েছে। উল্লেখ্য, সরকারি সাহায্য প্রত্যাখ্যান করা এই সাবিনাকে ঘিরেই এখন কালীগঞ্জের রাজনৈতিক সমীকরণ উত্তপ্ত। সিপিএমের এই কড়া অবস্থান বিদ্রোহী কর্মীদের জন্য এক স্পষ্ট বার্তা হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

