যুদ্ধের আগুনে কি পুড়বে ভারত? মোদীর নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সঞ্জয় রাউত – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এক বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড়িয়ে। আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের এই ত্রিমুখী লড়াইয়ের প্রভাব ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের ওপর কতটা পড়বে, তা নিয়ে দানা বাঁধছে উদ্বেগ। এরই মাঝে শিবসেনা (UBT) সাংসদ সঞ্জয় রাউত সরাসরি নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তাঁর প্রশ্ন, “প্রধানমন্ত্রী কেন চুপ? ভারতের ভূমিকা ঠিক কী এবং আমরা ভবিষ্যতে কোন পথে হাঁটছি, তা স্পষ্ট করা উচিত।”
সংকটে সাধারণ মানুষ: প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর উদ্বেগ
সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের আঁচ ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের হেঁশেলে পৌঁছেছে। এলপিজি গ্যাসের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের নিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বসেছেন, তবুও বিশ্বজুড়ে চলমান এই যুদ্ধের খেসারত সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মোদীর জরুরি বৈঠক ও রণকৌশল
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রবিবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির (CCS) বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে খাদ্য, শক্তি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ভারতের অর্থনীতিতে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
- বিকল্প উৎস: সার ও জ্বালানি আমদানির জন্য নতুন দেশের সন্ধান করা।
- কয়লা মজুত: বিদ্যুৎ বিভ্রাট রুখতে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রাখার নির্দেশ।
- কালোবাজারি রোধ: নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাচ্ছে। নাগরিকদের এই যুদ্ধের কুপ্রভাব থেকে রক্ষা করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। কৃষকদের যাতে সারের অভাব না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

