ডিলিটেশন বিল নিয়ে উত্তাল রাজনীতি, ব্যাকফুটে মমতা?

সংসদের বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ ও আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে তোড়জোড়
সংসদের তিনদিনের বিশেষ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই অধিবেশনে বহু প্রতীক্ষিত মহিলা সংরক্ষণ বিলসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বিলগুলোর গুরুত্ব বিবেচনায় বিরোধী শিবিরেও কৌশলগত প্রস্তুতির অন্ত নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের সব সাংসদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করলেও, নির্বাচনী প্রচারের ব্যস্ততার কারণে তৃণমূলের পক্ষ থেকে মাত্র ২০ জন সাংসদকে এই অধিবেশনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিরোধীদের তীব্র অসন্তোষ
মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও ‘ডিলিমিটেশন বিল’ বা আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস দল এই বিলের ভোটাভুটির জন্য ইতিমধ্যেই হুইপ জারি করেছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কায় ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তামিলনাড়ুতে বিলের প্রতিলিপি পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ রাজ্যজুড়ে কালো পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ওড়িশা, অরুণাচল প্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের নেতারাও এই বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন, যা আসন্ন অধিবেশনে এক বড় ধরনের রাজনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এক ঝলকে
- সংসদের তিনদিনের বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণসহ তিনটি বিল পেশ করা হবে।
- তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কৌশলগত কারণে ২০ জন সাংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকবেন।
- আসন পুনর্বিন্যাস বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছে কংগ্রেস, ডিএমকে, ওড়িশা ও অরুণাচল প্রদেশের নেতারা।
- দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব হ্রাসের আশঙ্কায় দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
