আলাদা আলাদা জেলে বন্দি থাকা সত্ত্বেও গর্ভবতী হলেন তরুণী! এমন এক অদ্ভুত পদ্ধতি অবলম্বন করলেন যা আপনার মাথা ঘুরিয়ে দেবে – এবেলা

আলাদা আলাদা জেলে বন্দি থাকা সত্ত্বেও গর্ভবতী হলেন তরুণী! এমন এক অদ্ভুত পদ্ধতি অবলম্বন করলেন যা আপনার মাথা ঘুরিয়ে দেবে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ফ্লোরিডার মায়ামি-ডেড সংশোধনাগারে ঘটে যাওয়া এক অবিশ্বাস্য ঘটনা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আলাদা সেলে বন্দি থেকেও ডেইজি লিঙ্ক নামের এক নারী কয়েদি অন্তঃসত্ত্বা হন এবং সম্প্রতি একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ডেইজি এবং সন্তানের বাবা হিসেবে চিহ্নিত কয়েদি জোন ডেপাজ—উভয়েই পৃথক সেলে বন্দি ছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে কখনও সরাসরি দেখা পর্যন্ত হয়নি।

ভেন্টিলেশন পাইপেই শুরু প্রেম

তদন্তে জানা গেছে, দুই ভিন্ন সেলে বন্দি এই দুই কয়েদির আলাপ ও প্রেমের মাধ্যম ছিল কারাগারের ভেন্টিলেশন সিস্টেম। কারাগারের নিঃসঙ্গতা কাটাতে তাঁরা এই ভেন্টিলেশন পাইপ বা বায়ু চলাচলের পথ ব্যবহার করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতেন। এমনকি ওই ছিদ্রপথ দিয়েই একে অপরকে চিরকুট এবং ছবিও পাঠাতেন তাঁরা। এক পর্যায়ে তাঁদের মধ্যে গভীর আবেগপ্রবণ সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

সরাসরি সাক্ষাৎ ছাড়াই অদ্ভুত মিলন

পেশাদার খুনের দায়ে বিচারপ্রতীক্ষাধীন জোন ডেপাজ এবং ডেইজি লিঙ্ক কখনও এক কামরায় থাকার সুযোগ পাননি। জেলের কঠোর নিরাপত্তা বলয় এড়িয়ে ভেন্টিলেশন পাইপের মাধ্যমেই তাঁরা অত্যন্ত কৌশলে নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করেন, যা জেল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার পর সংশোধনাগার বিভাগ তড়িঘড়ি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে। বর্তমানে শিশুটি ডেইজির পরিবারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং দুই কয়েদিই নিজ নিজ মামলার শুনানির অপেক্ষায় রয়েছেন।

এক ঝলকে

  • ফ্লোরিডার কারাগারে আলাদা সেলে বন্দি থাকা সত্ত্বেও ডেইজি লিঙ্ক নামে এক নারী কয়েদি মা হয়েছেন।
  • কারাগারের ভেন্টিলেশন সিস্টেম বা বায়ু চলাচলের পাইপ ব্যবহার করে জোন ডেপাজ নামের আরেক কয়েদির সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
  • সরাসরি দেখা না হলেও অত্যন্ত কৌশলী ও অদ্ভুত পদ্ধতিতে তাঁরা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন।
  • এই ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে এবং কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *