নন্দীগ্রামে শুভেন্দু হারছেন, ফিরছে মমতা সরকার! দিল্লিতে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক ভবিষ্যদ্বাণী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
প্রথম দফার নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই বাংলার রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক উসকে দিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দিল্লির সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলার শুনানি শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে এবার বড় ব্যবধানে হারতে চলেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। কল্যাণের এই মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোট গণনার আগেই এমন দাবি শাসক শিবিরের আত্মবিশ্বাসকেই প্রতিফলিত করছে।
ঐতিহাসিক সমীকরণ ও জয়ের দাবি
শুভেন্দু অধিকারীর পরাজয় নিশ্চিত করতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এক বিশেষ রাজনৈতিক ইতিহাসের অবতারণা করেছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন প্রতিবারই দেখা গিয়েছে যে পরবর্তী নির্বাচনে তৎকালীন বিরোধী দলনেতা পরাজিত হন। এই ধারা বজায় রেখেই এবার নন্দীগ্রামের ফলাফল তৃণমূলের পক্ষে যাবে বলে তিনি মনে করেন। পাশাপাশি তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান, রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস ১১০-এর বেশি আসন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ
অন্যদিকে, রাজ্যের প্রথম দফার নির্বাচনে বিপুল জন অংশগ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার প্রশংসা করেছে। শুনানি চলাকালীন আদালত স্পষ্ট করেছে যে, ভোটার তালিকায় নাম সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা সরাসরি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারবেন। একইসঙ্গে মালদহের মোথাবাড়িতে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় এনআইএ-কে চার্জশিট দাখিলের অনুমতি প্রদান করেছে শীর্ষ আদালত।
এক ঝলকে
- দিল্লির সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারীর পরাজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- বিরোধী দলনেতাদের হারের ঐতিহাসিক পরম্পরা উল্লেখ করে নন্দীগ্রামে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
- প্রথম দফার ভোটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকায় নির্বাচন কমিশনের কাজের প্রশংসা করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
- মোথাবাড়ির ঘটনায় এনআইএ-কে চার্জশিট পেশের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি হাইকোর্টে যাওয়ার পথ খোলা রেখেছে আদালত।
