নীতি আয়োগের মাথায় এবার বঙ্গসন্তান! সুমন বেরীর উত্তরসূরি হচ্ছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী – এবেলা

নীতি আয়োগের মাথায় এবার বঙ্গসন্তান! সুমন বেরীর উত্তরসূরি হচ্ছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ভারতের সরকারি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক নীতি আয়োগের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের রদবদল ঘটতে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বাদশ প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ও প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অশোক কুমার লাহিড়ীকে প্রতিষ্ঠানটির পরবর্তী সহ-উপাধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি বর্তমান সহ-উপাধ্যক্ষ সুমন বেরীর স্থলাভিষিক্ত হবেন। এছাড়া বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাসকে এই নীতি-নির্ধারক প্যানেলের নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র এখনও প্রক্রিয়াধীন, তবে এই দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অন্তর্ভুক্তি প্রায় নিশ্চিত।

অভিজ্ঞতা ও মেধার সমন্বয়

অশোক কুমার লাহিড়ী একজন অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ হিসেবে সুপরিচিত। কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় এবং দিল্লি স্কুল অব ইকোনমিক্সের এই প্রাক্তন ছাত্র অতীতে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে, নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হতে যাওয়া গোবর্ধন দাস একজন খ্যাতিমান ইমিউনোলজিস্ট। তিনি আইআইএসইআর (IISER) ভোপালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দিল্লির জেএনইউ-তে শিক্ষকতা ও গবেষণার সাথে যুক্ত ছিলেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ প্রভাব

পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটের বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী এবং উত্তর পূর্বস্থলী থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গোবর্ধন দাসের এই নিয়োগ জাতীয় রাজনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান পদটি পদাধিকারবলে প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকায়, সহ-উপাধ্যক্ষই মূলত এই প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে কাজ করেন। অভিজ্ঞ এই দুই ব্যক্তিত্বের হাত ধরে দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও গবেষণা ক্ষেত্রে নতুন গতি আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দীর্ঘ মেয়াদী নীতি নির্ধারণে লাহিড়ীর বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এক ঝলকে

  • নীতি আয়োগের নতুন সহ-উপাধ্যক্ষ মনোনীত হয়েছেন অর্থনীতিবিদ অশোক কুমার লাহিড়ী।
  • তিনি বর্তমান সহ-উপাধ্যক্ষ সুমন বেরীর স্থলাভিষিক্ত হবেন।
  • বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাসকে নীতি আয়োগের নতুন সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
  • উভয় বিশেষজ্ঞই অতীতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *