চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ককে ছাড়া কি কেকেআরের মস্ত ভুল ছিল! বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
কলকাতা নাইট রাইডার্সকে তৃতীয় আইপিএল ট্রফি এনে দেওয়ার কারিগর শ্রেয়স আইয়ারকে কেন ধরে রাখা হলো না, তা নিয়ে ক্রিকেট মহলে বিতর্কের শেষ নেই। এবার সেই বিতর্ক উসকে দিলেন কেকেআরের তৎকালীন কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। ২০২৪ সালে শ্রেয়সের নেতৃত্বে কেকেআর চ্যাম্পিয়ন হলেও পরের মৌসুমে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পণ্ডিতের মতে, সেই সিদ্ধান্তটি দলের জন্য ইতিবাচক হয়নি এবং তৎকালীন রণকৌশল পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
ব্যর্থ রণকৌশল ও বর্তমানের আক্ষেপ
বর্তমানে পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক হিসেবে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। তাঁর নেতৃত্বে পাঞ্জাব চলতি মৌসুমে অপরাজিত থাকলেও কেকেআরের অবস্থা তথৈবচ। চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, আইপিএলজয়ী দল থেকে ফিল সল্ট এবং শ্রেয়স আইয়ারের মতো ক্রিকেটারদের ছেড়ে দেওয়া ছিল বড় ভুল। দলের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবে স্ট্র্যাটেজি সাজানো হলেও তা মাঠের লড়াইয়ে বিন্দুমাত্র কাজ করেনি। কোচের এই স্বীকারোক্তি নাইট শিবিরের অন্দরমহলের পরিকল্পনার অভাবকেই যেন আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
পাঞ্জাবে শ্রেয়সের উত্থান ও কেকেআরের দৈন্যদশা
কলকাতা থেকে পাঞ্জাবে যাওয়ার পর শ্রেয়সের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা আরও পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, কেকেআর একের পর এক ম্যাচে হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে পড়ে রয়েছে। শ্রেয়স আগে আক্ষেপ করে জানিয়েছিলেন যে, ট্রফি জেতানোর পর যে সম্মান তাঁর প্রাপ্য ছিল, তা তিনি পাননি। পণ্ডিতের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ক্ষোভকেই মান্যতা দিচ্ছে। প্রাক্তন নাইট কোচের মতে, শ্রেয়স যেভাবে খেলছেন তাতে তাঁর দ্রুত জাতীয় টি-২০ দলে ফেরা উচিত। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, একজন যোগ্য নেতাকে হারানোয় কেকেআর কেবল ট্রফি রক্ষার লড়াইয়েই পিছিয়ে পড়েনি, বরং দলের ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেছে।
এক ঝলকে
- ২০২৪ সালে কেকেআরকে ট্রফি জেতানোর পরেও শ্রেয়স আইয়ারকে রিটেন না করা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রাক্তন কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত।
- ফিল সল্ট ও শ্রেয়সের মতো ক্রিকেটারদের ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ভুল স্ট্র্যাটেজি হিসেবে মেনে নিয়েছেন তিনি।
- শ্রেয়সের নেতৃত্বে পাঞ্জাব কিংস এবার অপরাজিত থাকলেও কলকাতা নাইট রাইডার্স রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের আট নম্বরে।
- কোচের মতে, শ্রেয়সের বর্তমান পারফরম্যান্স তাঁকে দ্রুত জাতীয় দলে ফেরার দাবিদার করে তুলেছে।
