ভোটের মুখে কেন বারবার শাহের বঙ্গ সফর, প্রশ্ন তুলে সরব তৃণমূল প্রার্থী! – এবেলা

ভোটের মুখে কেন বারবার শাহের বঙ্গ সফর, প্রশ্ন তুলে সরব  তৃণমূল প্রার্থী! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নির্বাচনী দামামা বাজতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাংলা সফর নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন উত্তরপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, বাংলার সংস্কৃতি কিংবা দুর্গাপূজা ও পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দেখা মেলে না, অথচ ভোট আসতেই তাঁদের পদচারণা বেড়ে যায়। শাহের এই ঘনঘন সফরকে স্রেফ ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ও ভোটের সমীকরণ মেলানোর কৌশল হিসেবেই দেখছে শাসক শিবির।

উন্নয়ন বনাম রাজনৈতিক প্রচারের সংঘাত

তৃণমূল শিবিরের দাবি, দিল্লির নেতারা বাংলার মানুষের আবেগ ও দৈনন্দিন সুখ-দুঃখের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা যুক্তি দিয়ে জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস কেবল সংস্কৃতির কথা বলে না, বরং এমএসএমই (MSME) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে রাজ্যে কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের বাস্তব রূপরেখা নিয়ে কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে বহিরাগত বনাম ভূমিপুত্রের লড়াইকে আরও উসকে দিয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছে ঘাসফুল শিবির।

রেকর্ড ভোটদান ও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ

এই রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচনে নজিরবিহীন ৯১.৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর ও কোচবিহারের মতো জেলাগুলোতে সাধারণ মানুষের এই বিপুল অংশগ্রহণ রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তৃণমূল প্রার্থীর এই চাঁচাছোলা আক্রমণ এবং উচ্চ হারের ভোটদান শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে জনমত গঠন করবে, তা নিয়ে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আগামী ২৯ মে-র চূড়ান্ত লড়াইয়ের আগে এই সংস্কৃতি ও উন্নয়নের বিতর্ক ভোটারদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এক ঝলকে

  • অমিত শাহের বঙ্গ সফরকে ‘ভোটকেন্দ্রিক’ আখ্যা দিয়ে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • বাংলার বড় উৎসবগুলোতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে একে রাজনৈতিক সুবিধাবাদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।
  • শিল্প ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে বিজেপিকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে তৃণমূল।
  • প্রথম দফায় রেকর্ড ৯১.৯১ শতাংশ ভোটদান নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *