গোবলয় জয়ের পর হিমন্ত বিশ্ব শর্মার এবার টার্গেট বাংলা, দিল্লিতে গুরুত্ব বৃদ্ধিতে চিন্তায় বিরোধীরা! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
উত্তর-পূর্ব ভারতের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে এখন অন্যতম আলোচিত নাম হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। কংগ্রেস থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়ে নিজের রাজনৈতিক মেধা ও ক্ষুরধার রণকৌশলের মাধ্যমে তিনি দিল্লির হাইকম্যান্ডের আস্থার পাত্র হয়ে উঠেছেন। ওড়িশায় বিজেপির অভাবনীয় উত্থান এবং বিহারে নীতীশ কুমারকে ছাপিয়ে দলের ভিত মজবুত করার নেপথ্যে হিমন্তের ‘আসাম মডেল’ ও কৌশলী মস্তিষ্কের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বাংলা জয়ে মোদী-শাহের বিশেষ ভরসা
বর্তমানে বাংলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে সামনের সারিতে নিয়ে আসছে বিজেপি নেতৃত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের পাল্টা কড়া জবাব দেওয়া এবং তীক্ষ্ণ বাগ্মিতার মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে তিনি এখন অত্যন্ত কার্যকর হাতিয়ার। উত্তর-পূর্বের সফল প্রশাসনিক ভাবমূর্তি এবং হিন্দুত্ববাদী প্রচারের মিশেলে বাংলার ভোটারদের মন জয়ে তাঁকে বারবার এ রাজ্যে ব্যবহার করছে দিল্লি।
কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে বাড়তে থাকা গুরুত্ব
আসামের মুখ্যমন্ত্রীর এই ক্রমবর্ধমান প্রভাব কেবল উত্তর-পূর্বাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তাঁর রণকৌশল এখন গোবলয়ের বাইরের রাজ্যগুলোতেও সাফল্যের মুখ দেখাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, হিমন্তের এই উত্থান বিরোধী শিবিরের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। একইসঙ্গে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, খুব শীঘ্রই তাঁকে সর্বভারতীয় স্তরে বড় কোনো সাংগঠনিক দায়িত্ব বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে দেখা যেতে পারে।
এক ঝলকে
- ওড়িশা ও বিহারে বিজেপির সাম্প্রতিক সাফল্যের নেপথ্যে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার রণকৌশলকে কৃতিত্ব দিচ্ছে রাজনৈতিক মহল।
- তৃণমূলকে রুখতে এবং বাংলার কর্মীদের চাঙ্গা করতে হিমন্তকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
- প্রশাসনিক দক্ষতা ও আগ্রাসী বক্তৃতার মাধ্যমে তিনি বিজেপির অন্দরে দ্রুত প্রভাবশালী হয়ে উঠছেন।
- আসামের মুখ্যমন্ত্রীর জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বা সর্বভারতীয় সংগঠনে বড় পদের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
