৪ তারিখের পর বাহিনী যাবে কিন্তু পুলিশকে থাকতে হবে! ইভিএম লুঠের আশঙ্কায় মমতার চরম হুঁশিয়ারি

প্রথম দফার নির্বাচনে রেকর্ড ভোটদানের পর দ্বিতীয় দফার আগে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ালেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ভবানীপুরের এক প্রচার সভা থেকে তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে ভোট জালিয়াতির মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন। এই অভিযোগ ঘিরে নির্বাচনমুখী বাংলায় রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে নতুন করে বিতর্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
কম্বল মুড়িয়ে ইভিএম লুঠের ছক
মমতার অভিযোগ, এলাকায় ইচ্ছাকৃতভাবে লোডশেডিং করে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের মদতে অপরাধীদের বুথে ঢোকানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, দুষ্কৃতীদের কম্বল দিয়ে ঢেকে এবং মুখোশ পরিয়ে ইভিএম দখলের চেষ্টা চলছে। বিজেপির সম্ভাব্য পরাজয়ের ভয়েই এই ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি সরাসরি আক্রমণ শানান।
পুলিশকে কড়া বার্তা ও প্রভাব
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পুলিশ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেত্রী পুলিশ প্রশাসনকে সরাসরি সতর্ক করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে আগামী ৪ মে ভোটগণনার পর কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য ছেড়ে চলে যাবে, কিন্তু রাজ্য পুলিশকেই এখানে থেকে কাজ করতে হবে। তাই তিনি পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। মমতার এই কড়া অবস্থানের ফলে আগামী ২৯ এপ্রিলের নির্বাচনে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বুথস্তরে রাজনৈতিক দলগুলির নজরদারি আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরের সভা থেকে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
- লোডশেডিং করে কম্বল ও মুখোশ পরিহিত দুষ্কৃতীদের মাধ্যমে ইভিএম লুঠের ছক কষা হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক দাবি।
- ভোটগণনার পর কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে গেলেও পুলিশকে রাজ্যেই থাকতে হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি বার্তা।
- এই সতর্কবার্তার জেরে আসন্ন নির্বাচন ও স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন এবং রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ বৃদ্ধি।
