বন্ধ হতে পারে আপনার জিও সিম! নম্বর সচল রাখতে জেনে নিন ট্রাই-এর নিয়ম ও সস্তা রিচার্জ প্ল্যান – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রিলায়েন্স জিও ব্যবহারকারীদের জন্য সতর্কবার্তা। যেসব গ্রাহক দীর্ঘদিন ধরে তাদের সেকেন্ডারি সিম কার্ডে রিচার্জ করছেন না, তাদের নম্বরগুলো ডিঅ্যাক্টিভেট বা বন্ধ করতে শুরু করেছে কো ম্পা নি। ট্রাই (TRAI)-এর নিয়ম অনুযায়ী, কোনো নম্বরে টানা ৯০ দিন কোনো রিচার্জ বা অ্যাক্টিভিটি না থাকলে টেলিকম অপারেটর সেই সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করার অধিকার রাখে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন যে, আগাম নোটিশ ছাড়াই তাদের ইন-অ্যাক্টিভ সিমগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
সিম বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া ও নিয়ম
নিয়ম অনুযায়ী, ৯০ দিন রিচার্জহীন থাকার পর অপারেটর চাইলে ২০ টাকা চার্জ কেটে সিমের মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়াতে পারে। তবে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে যদি প্রয়োজনীয় ব্যালেন্স না থাকে, তবে নম্বরটি সরাসরি ১৫ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’-এ চলে যায়। এই সময়ের মধ্যেও রিচার্জ না করলে সংযোগটি স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একবার নম্বরটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সেটি অন্য কোনো নতুন গ্রাহকের নামে ইস্যু করা হতে পারে, যার ফলে পুরনো ব্যবহারকারী স্থায়ীভাবে নিজের নম্বরটি হারাবেন।
নম্বর সচল রাখার সাশ্রয়ী উপায়
শুধুমাত্র ইনকামিং কলের জন্য সিম ব্যবহার করলেও ন্যূনতম একটি বেস প্ল্যান থাকা জরুরি। রিলায়েন্স জিও-র ক্ষেত্রে সিম সচল রাখার সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায় হলো ১৮৯ টাকার প্ল্যানটি। ২৮ দিন মেয়াদের এই প্ল্যানে আনলিমিটেড কলিং ও ৩০০টি এসএমএস-এর পাশাপাশি ২ জিবি ডেটা পাওয়া যায়। মনে রাখা প্রয়োজন, ছোট ডেটা প্যাক বা ১১ টাকার মতো ভাউচার রিচার্জ করলে নম্বর সচল থাকবে না, কারণ এগুলোর জন্য একটি সক্রিয় বেস প্ল্যান থাকা বাধ্যতামূলক। তাই নম্বরটি চিরতরে হারানো এড়াতে নিয়মিত বিরতিতে ন্যূনতম রিচার্জ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এক ঝলকে
- টানা ৯০ দিন রিচার্জ না থাকলে ট্রাই-এর নিয়ম অনুযায়ী জিও সিম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- মেইন ব্যালেন্স না থাকলে ১৫ দিনের গ্রেস পিরিয়ড শেষেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে।
- নম্বর সচল রাখতে ১৮৯ টাকার ন্যূনতম বেস প্ল্যানটি ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক।
- একবার নম্বর ডিঅ্যাক্টিভেট হলে তা অন্য গ্রাহককে দিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি থাকে।
