ভোটার কার্ড ছাড়াই দেওয়া যাবে ভোট! কমিশনের তালিকায় থাকা বিকল্প এই নথিগুলো আছে তো আপনার কাছে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
আগামীকাল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ঘিরে রাজ্যজুড়ে সাজ সাজ রব। বুথে যাওয়ার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছেন ভোটাররা। তবে অনেকের মধ্যেই একটি সাধারণ দুশ্চিন্তা কাজ করে— ভোটার কার্ড বা এপিক (EPIC) কার্ড খুঁজে না পেলে বা হারিয়ে গেলে কি ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাবে? নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সচিত্র পরিচয়পত্র না থাকলেও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে কোনো বাধা নেই। ভোটার তালিকায় নাম থাকাই ভোট দেওয়ার প্রাথমিক শর্ত।
বিকল্প নথিতেই মিলবে ভোটাধিকার
ভোটার কার্ডের অনুপস্থিতিতে কমিশন মোট ১২টি বিকল্প সচিত্র পরিচয়পত্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের ইস্যু করা ছবিসহ সার্ভিস আইডি কার্ড অন্যতম। এ ছাড়া ব্যাঙ্কের পাসবই (ছবিসহ), পেনশন নথি, এমনকি শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া হেলথ ইন্স্যুরেন্স স্মার্ট কার্ড দেখিয়েও লাইনে দাঁড়ানো যাবে। তবে ভোটার কার্ড না থাকলে নিজের বিধানসভা ক্ষেত্র ও বুথ নম্বর নিশ্চিত করতে ভোটার স্লিপটি সঙ্গে রাখা জরুরি।
প্রক্রিয়া ও প্রভাব
এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। অনেক সময় যান্ত্রিক ত্রুটি বা স্থানান্তরের কারণে ভোটার কার্ড হাতে পৌঁছাতে দেরি হয়। এই নমনীয় নিয়মের ফলে ভোটাররা পরিচয় বিভ্রাটের ভয় ছাড়াই বুথে যেতে পারবেন, যা সামগ্রিকভাবে ভোটদানের হার বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। পোলিং এজেন্ট ও প্রিসাইডিং অফিসারদের এই ১২টি নথি সম্পর্কে যথাযথ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষের হয়রানি না হয়।
এক ঝলকে
- ভোটার কার্ড না থাকলেও তালিকায় নাম থাকলে আগামীকাল ভোট দেওয়া যাবে।
- পাসপোর্ট, আধার, প্যান কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ মোট ১২টি বিকল্প নথি গ্রাহ্য হবে।
- ছবিসহ ব্যাঙ্ক পাসবই বা পেনশন নথি দেখিয়েও পরিচয় যাচাই করা সম্ভব।
- সঠিক বুথ খুঁজে পেতে ভোটার স্লিপ বা ডিজিটাল ভোটার গাইড ব্যবহার করা সুবিধাজনক।
