ভাগ্য ফেরাতে জাদুর মতো কাজ করবে এক টুকরো রুটি! জেনে নিন বিশেষ কিছু ঘরোয়া টোটকা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
মানুষের জীবনে অনেক সময় কঠোর পরিশ্রমের পরেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসে না। বাধা-বিপত্তি যেন পিছু ছাড়ে না। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, রান্নাঘরের অতি সাধারণ একটি উপাদান রুটি ব্যবহার করে জীবনের এই সব জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ঘরোয়া এই সহজ টোটকাগুলি মেনে চললে একদিকে যেমন গ্রহের দোষ কাটে, অন্যদিকে আর্থিক সমৃদ্ধির পথও প্রশস্ত হয়।
মনোকামনা পূরণে চার টুকরো রুটির কৌশল
প্রতিদিন সকালে রুটি তৈরির সময় একটি বাড়তি রুটি বানিয়ে সেটিকে সমান চার ভাগে ভাগ করে নিন। প্রতিটি ভাগে সামান্য মিষ্টি দিন। প্রথম অংশটি গরুকে খাইয়ে নিজের মনের ইচ্ছা জানান। দ্বিতীয় অংশটি কুকুরকে নিবেদন করুন, যা আপনার চারপাশের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে সাহায্য করবে। তৃতীয় অংশটি কাকের জন্য বাড়ির ছাদে বা খোলা জায়গায় রেখে দিন। আর শেষ অংশটি কোনো মোড়ে রেখে নিঃশব্দে বাড়ি ফিরে আসুন। নিয়মিত এই অভ্যাসে জীবনের দুর্ভাগ্য কেটে গিয়ে শুভ সময়ের সূচনা হয়।
গ্রহ দোষ ও বাধা দূর করার অব্যর্থ উপায়
পারিবারিক অশান্তি এবং মাঝপথে কাজ আটকে যাওয়ার সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য রাতের শেষ রুটির টোটকা অত্যন্ত কার্যকর। রাতের শেষ রুটিতে সামান্য সরষের তেল মাখিয়ে কালো কুকুরকে খাওয়ালে রাহু ও শনির অশুভ প্রভাব কমে। এছাড়া জীবনে বড় ধরনের সাফল্য পেতে রুটির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে পিঁপড়েদের খাওয়ালে কর্মক্ষেত্রের যাবতীয় বাধা দূর হয়। বাড়িতে অতিথি এলে তাকে সমাদরে রুটি পরিবেশন করলে গৃহ থেকে দারিদ্র্য বিদায় নেয় এবং সুখ-শান্তি বজায় থাকে।
এক ঝলকে
- সকালে একটি বাড়তি রুটি চার ভাগে ভাগ করে গরু, কুকুর ও কাককে খাওয়ালে মনোকামনা পূর্ণ হয়।
- রাতের শেষ রুটিতে সরষের তেল মাখিয়ে কালো কুকুরকে খাওয়ালে গ্রহ দোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
- রুটির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে পিঁপড়েকে খাওয়ালে কাজের বাধা দূর হয় ও সফলতা আসে।
- বাড়িতে অতিথিকে সসম্মানে রুটি বা খাবার পরিবেশন করলে গৃহের শ্রী বৃদ্ধি ঘটে।
