ভোট শুরুর আগেই ঝরল রক্ত! চাপড়ায় বিজেপি এজেন্টের মাথা ফাটানোর অভিযোগ, দিকে দিকে উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তি ও সংঘাতের খবর আসছে। বুধবার সকাল ৭টায় ভোট প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হামলার ঘটনা ঘটে। নদিয়া থেকে কলকাতা—ভোটের সকালে বুথের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও বুথে উত্তেজনা
নদিয়ার চাপড়ায় ভোট শুরুর আগেই বিজেপির বুথ এজেন্টের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত বিজেপি এজেন্ট মোশারফ মীর দাবি করেছেন, বুথে যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে লক্ষ্য করে লাঠি দিয়ে আঘাত করে, যার ফলে তাঁর মাথায় ছয়টি সেলাই পড়েছে। অন্যদিকে, কলকাতার শ্যামপুকুরে বুথের একশো মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হটাতে পুলিশকে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করতে দেখা যায়। এই কেন্দ্রে ইভিএম বিভ্রাটের কারণে প্রায় ৩০ মিনিট ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকার অভিযোগও মিলেছে।
পাল্টা অভিযোগ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কমিশন প্রতি বুথে চারজন আধাসামরিক জওয়ান ও ক্যামেরার ব্যবস্থা করলেও উত্তাপ কমেনি সিঙ্গুরে। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী বেচারাম মান্নার অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ বিনাদোষে তৃণমূল কর্মীদের মারধর ও ভয় দেখাচ্ছে। এর প্রতিবাদে গভীর রাতে তিনি অনুগামীদের নিয়ে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। মূলত আধিপত্য বিস্তার ও ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টাকে কেন্দ্র করেই এই সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা পরবর্তী দফার ভোটগুলোতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফার ভোট শুরুর আগে থেকেই নদিয়া ও কলকাতায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তেজনা।
- চাপড়ায় বিজেপি এজেন্টের মাথা ফাটানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
- শ্যামপুকুরে অবৈধ জমায়েত হটাতে পুলিশের লাঠিচার্জ ও ইভিএম বিভ্রাট।
- সিঙ্গুরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ বেচারাম মান্নার।
