তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু কি বিষক্রিয়ায়! চাঞ্চল্যকর তথ্যে যা জানাল খাদ্য নিরাপত্তা দপ্তর – এবেলা

তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু কি বিষক্রিয়ায়! চাঞ্চল্যকর তথ্যে যা জানাল খাদ্য নিরাপত্তা দপ্তর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

মুম্বাইয়ের পাইধোনি এলাকায় একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে দানা বেঁধেছে ঘনীভূত রহস্য। গত রবিবার আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া, তাঁর স্ত্রী এবং দুই কন্যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রাণ হারান। পরিবারের আত্মীয়দের দাবি, হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষণ আগে তাঁরা তরমুজ খেয়েছিলেন। এর পরেই বমি ও জ্ঞান হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তবে তরমুজে থাকা কীটনাশকের কারণে এই মৃত্যু কি না, তা নিয়ে প্রাথমিক বিশ্লেষণ পেশ করেছে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন (এফডিএ)।

কীটনাশক নাকি অন্য কোনো বিষক্রিয়া

মহারাষ্ট্র এফডিএ কমিশনার শ্রীধর দুবে-পাতিল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সাধারণ কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থেকে এভাবে প্রাণহানি ঘটা কার্যত আসাম্ভব। তাঁর মতে, তরমুজ চাষে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহৃত হলেও তার প্রভাব মৃত্যুর কারণ হতে পারে না। এফডিএ কর্মকর্তারা ডোকাদিয়া পরিবারের ঘর থেকে অর্ধেক খাওয়া তরমুজ ছাড়াও রান্না করা বিরিয়ানি, পোলাও, মশলা এবং পানীয় জলের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে এই সবজি ও খাদ্যসামগ্রীর ল্যাবরেটরি রিপোর্ট এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তদন্তের গতিপ্রকৃতি ও সম্ভাব্য প্রভাব

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ও খাদ্য নিরাপত্তা দপ্তর জানতে পেরেছে যে, যে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ফল কেনা হয়েছিল তাঁর কোনো সঠিক প্রমাণ বা বিল পাওয়া যায়নি। বান্দ্রার পরীক্ষাগারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নমুনার বিশ্লেষণ চলছে। ফরেনসিক এবং ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই জানা যাবে এটি খাদ্যে বিষক্রিয়া নাকি অন্য কোনো রাসায়নিকের বিক্রিয়া। এই ঘটনাটি ফল ও খাদ্যসামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

এক ঝলকে

  • মুম্বাইয়ের পাইধোনিতে তরমুজ খাওয়ার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু।
  • কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থেকে এই ধরনের তাৎক্ষণিক মৃত্যু হওয়া আসাম্ভব বলে মনে করছে এফডিএ।
  • তরমুজের পাশাপাশি ঘর থেকে পাওয়া বিরিয়ানি ও পানীয় জলের নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
  • মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ফরেনসিক এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *