স্বেচ্ছায় গর্ভপাত! আইন সংশোধনের পক্ষে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
কোনও নাবালিকাকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গর্ভপাত না করানোর জন্য জোর করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয় যে, প্রজনন স্বাস্থ্যের অধিকার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষত নাবালিকাদের ক্ষেত্রে তাঁদের শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো অত্যন্ত জরুরি।
আইন সংশোধনের পক্ষে সওয়াল
শুনানি চলাকালীন বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমান ভূমিকার সমালোচনা করেন। প্রধান বিচারপতির মতে, প্রচলিত আইনে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা অনেক সময় ভুক্তভোগীদের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলারা যাতে গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ বা বিশেষ ক্ষেত্রে ২৪ সপ্তাহ পার হওয়ার পরেও স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করার আইনি অনুমতি পান, সেই লক্ষ্যে দ্রুত আইন সংশোধন করা উচিত বলে মনে করে আদালত।
প্রভাব ও বিচারবিভাগীয় পর্যবেক্ষণ
আদালতের এই পর্যবেক্ষণ আগামী দিনে প্রজনন অধিকার সংক্রান্ত আইনি লড়াইয়ে এক নতুন দিশা দেখাবে। বিচারকদের মতে, বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞান ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরনো নিয়মের বেড়াজালে আটকে থাকা ঠিক নয়। সময়মতো আইন সংশোধন না হলে ভুক্তভোগীদের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ট্রমা আরও বাড়তে পারে, যা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
এক ঝলকে
- নাবালিকাদের ওপর জোরপূর্বক গর্ভপাত চাপিয়ে দেওয়া যাবে না বলে জানাল সুপ্রিম কোর্ট।
- ধর্ষণের শিকার নারীদের জন্য গর্ভপাতের সময়সীমা বৃদ্ধিতে আইন সংশোধনের পরামর্শ।
- কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমান আইনি কাঠামোর সমালোচনা শীর্ষ আদালতের।
- নারীর শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ।
