TMC না BJP, এগিয়ে কে? দ্বিতীয় দফার পর সাট্টাবাজারের হিসেবে বড় ওলটপালট!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা শেষ হতেই নবান্নের দখল নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। প্রথাগত বুথ ফেরত সমীক্ষাগুলোর পাশাপাশি এবার সবার নজর কেড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাট্টাবাজার। যদিও ভারতে এই ধরনের বাজি ধরা সম্পূর্ণ বেআইনি, তবুও অতীতে অনেক ক্ষেত্রে এদের পূর্বাভাস মিলে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে এটি নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় দফার ভোটের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে লড়াইয়ের সমীকরণ পাল্টে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই বাজারগুলো।
সাট্টাবাজারের ভিন্ন ভিন্ন মেরুকরণ
রাজস্থানের বিখ্যাত ফালৌদি সাট্টাবাজারের বুকিদের মতে, এবারের নির্বাচনে বিজেপি সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে পারে। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিজেপি ১৪৬ থেকে ১৪৯টি আসন পেতে পারে, যেখানে তৃণমূলের ঝুলি ভরতে পারে ১৪০ থেকে ১৪৬টি আসনে। অন্যদিকে, দিল্লির সাট্টাবাজার আবার সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলছে; সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ১৪৬ থেকে ১৪৯টি আসন পেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে মুম্বইয়ের বুকিরা বিজেপিকে অনেক বেশি এগিয়ে রেখেছে, তাদের মতে গেরুয়া শিবির ১৭৫ থেকে ১৮৫টি আসন পেতে পারে।
পরিবর্তনশীল হাওয়া ও অনিশ্চয়তা
লক্ষণীয় বিষয় হলো, প্রথম দফার ভোটের পর প্রায় সব বাজারই তৃণমূল কংগ্রেসকে এগিয়ে রেখেছিল, কিন্তু দ্বিতীয় দফার পর থেকেই সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাট্টাবাজারের এই পূর্বাভাসের কোনো সাংবিধানিক বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বাজি বাজারের এই ওঠা-নামা মূলত মানুষের আবেগ ও বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করে। আগামী ৪ মে ভোট গণনার পরেই পরিষ্কার হবে বাংলার প্রকৃত জনমত কোন দিকে গিয়েছে এবং কার ভাগ্যে জুটবে নবান্নের চাবিকাঠি।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফা ভোটের পর রাজস্থানের ফালৌদি ও মুম্বইয়ের সাট্টাবাজারে বিজেপিকে সামান্য এগিয়ে রাখা হয়েছে।
- দিল্লির সাট্টাবাজারের পূর্বাভাসে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে।
- প্রথম দফার তুলনায় দ্বিতীয় দফা শেষে বাজি বাজারের সমীক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
- ৪ মে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরেই বোঝা যাবে এই পূর্বাভাসের সত্যতা।
