“এক্সিট পোল আসলে শেয়ার বাজার ম্যানিপুলেশন!” ২০০ পার নিশ্চিত দাবি করে কর্মীদের কড়া বার্তা মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার অন্তিম লগ্নে দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে এক মেগা ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাট থেকে রাজ্যের সমস্ত প্রান্তের কাউন্টিং এজেন্ট ও কর্মীদের উদ্দেশে আগামী সোমবারের রণকৌশল স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতা। দীর্ঘ নির্বাচনী লড়াইয়ে কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, এবার বাংলায় ঘাসফুল শিবির ২০০-র বেশি আসন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরছে।
এক্সিট পোল নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ
ভোট পরবর্তী সমীক্ষা বা ‘এক্সিট পোল’-কে সরাসরি খারিজ করে একে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণের এক গভীর চক্রান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, এই ধরণের সমীক্ষা বাস্তবসম্মত নয় এবং এটি বাজারকে কৃত্রিমভাবে প্রভাবিত করার একটি কৌশল মাত্র। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন এলাকায় মহিলাদের ভয় দেখানো হয়েছে এবং সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ সেই ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়েছে।
গোপন রিপোর্ট ও জয়ের আত্মবিশ্বাস
তৃণমূলের অন্দরে জয়ের জোরালো হাওয়ার কথা উল্লেখ করে কুণাল ঘোষ দাবি করেছেন, বিরোধীরা তাঁদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে মাত্র ৭৮টি আসনে জয়ের আশা রাখছে। শাসক শিবিরের দাবি অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটেই তারা ১০০ এবং দ্বিতীয় দফার শেষে ২০০-র গণ্ডি অতিক্রম করে গিয়েছে। এই বিপুল জয়ের পূর্বাভাসের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন গণনার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সকলে সজাগ থাকেন এবং কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে ধৈর্য বজায় রাখেন।
এক ঝলকে
- এক্সিট পোলকে শেয়ার বাজার ম্যানিপুলেশনের কৌশল হিসেবে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
- দলীয় কর্মীদের ২০০-র বেশি আসন পাওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে গণনার শেষ পর্যন্ত সজাগ থাকার নির্দেশ।
- কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলে তীব্র উষ্মা প্রকাশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
- বিরোধীদের গোপন রিপোর্টে তারা মাত্র ৭৮টি আসন পাচ্ছে বলে দাবি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের।
