চন্দ্রনাথ খুনে সিট গঠন, পুলিশের ওপর ভরসা রেখেও ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত শুভেন্দুর
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/05/07/suvendu-adhikari-pa-murder-case-2026-05-07-09-08-03.jpg)
শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুনের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল বা ‘সিট’। বৃহস্পতিবার বারাসাত হাসপাতালে নিহত সহকর্মীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা প্রকাশ করেন। তবে এই খুনের নেপথ্যে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র এবং স্থানীয় দুষ্কৃতীদের দীর্ঘকালীন রেইকি বা নজরদারি ছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।
পরিকল্পিত হত্যা ও তদন্তের গতিপ্রকৃতি
বিরোধী দলনেতার মতে, দুই-তিন দিন ধরে পরিকল্পিতভাবে রেইকি করার পরই চন্দ্রনাথ রথকে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে আসা দুষ্কৃতীদের শনাক্তকরণ এবং খুনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখতে ডিজিপির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বিজেপি নেতৃত্ব। শুভেন্দু স্পষ্ট জানান, পুলিশ চাইলেই সব পারে এবং ইতিমধ্যে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করা হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সুকান্ত মজুমদারও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা এই ইস্যুটিকে জাতীয় স্তরেও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব
এই হত্যাকাণ্ডের ফলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুভেন্দুর দাবি, আগে পুলিশকে কাজ করতে দেওয়া না হলেও বর্তমানে তারা সঠিক পথেই তদন্ত চালাচ্ছে। এই ঘটনার দ্রুত কিনারা না হলে তা প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হতে পারে, তাই দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করা পুলিশের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা হারানোর ভয়েই কি এই ধরণের অপরাধমূলক পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে।
এক ঝলকে
- শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয়েছে।
- খুনের রহস্য উদঘাটনে রাজ্য পুলিশ ইতিমধ্যেই ‘সিট’ গঠন করে তদন্ত শুরু করেছে।
- বিরোধী দলনেতা এই ঘটনাকে পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং রেইকির ফল বলে উল্লেখ করেছেন।
- তদন্তের স্বার্থে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং পুলিশ দ্রুত কিনারা করবে বলে শুভেন্দু আশাবাদী।
