তৃণমূলে চরম বিশৃঙ্খলা, দলবিরোধী মন্তব্যের জেরে ৫ নেতাকে শোকজ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর দলের অভ্যন্তরে শুরু হয়েছে তীব্র কোন্দল। বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকার দিকে সরাসরি আঙুল তোলায় ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, কোহিনুর মজুমদার, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষকে শোকজ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মাত্র ৮০টি আসনে থমকে যাওয়ার ধাক্কায় যখন দলীয় স্তরে পর্যালোচনার প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই এই মুখপাত্রদের প্রকাশ্য বয়ান অস্বস্তি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা ও কড়া পদক্ষেপ
দলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্বশীল পদে থেকেও শীর্ষ নেতৃত্বের কৌশল ও সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলায় একে ‘দলবিরোধী কার্যকলাপ’ হিসেবে দেখছে ঘাসফুল শিবির। শোকজ পত্রে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সংবাদমাধ্যমে বা জনসমক্ষে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। শোকজ করা এই পাঁচ নেতাকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের আচরণের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চ্যালেঞ্জ
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী ফলাফলের পর দলের ভেতরের ক্ষোভ প্রশমিত করাই এখন তৃণমূলের বড় চ্যালেঞ্জ। শোকজের মাধ্যমে দলের শৃঙ্খলা রক্ষার কড়া বার্তা দিতে চাইছেন শীর্ষ নেতারা। তবে এই পদক্ষেপ ক্ষুব্ধ কর্মীদের শান্ত করবে নাকি নতুন কোনো বিদ্রোহের সূচনা করবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে জোরালো চর্চা। দ্রুত জবাব না মিললে বা ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এক ঝলকে
- বিধানসভা ভোটে মাত্র ৮০টি আসনে জয়ের পর তৃণমূলের অন্দরে সংকট ঘনীভূত হয়েছে।
- শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা করায় ঋজু দত্ত ও কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীসহ ৫ মুখপাত্রকে শোকজ করা হয়েছে।
- অভিযুক্ত নেতাদের শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য মাত্র ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
- দলের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
