৭২১ বছর পর ইতিহাস বদলাল ভোজশালায়! হাই কোর্টের রায়ে আজ প্রথমবার শুক্রবারেই মহ আরতি – এবেলা

৭২১ বছর পর ইতিহাস বদলাল ভোজশালায়! হাই কোর্টের রায়ে আজ প্রথমবার শুক্রবারেই মহ আরতি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

৭২১ বছরের দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান! ধার ভোজশালা নিয়ে হাই কোর্টের ঐতিহাসিক রায়, এবার সুপ্রিম কোর্টে মুসলিম পক্ষ

মধ্যপ্রদেশের ধর জেলার ঐতিহাসিক ভোজশালা চত্বরকে ‘মন্দির’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সেখানে হিন্দু পক্ষকে পুজো করার অধিকার দিয়েছে হাই কোর্ট। দীর্ঘ ৭২১ বছরের আইনি ও সামাজিক লড়াইয়ের পর এই প্রথম কোনো শুক্রবারে এই চত্বরে মুসলিমদের নমাজের পরিবর্তে বাগদেবী মায়ের মহাআরতি ও বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এই রায়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

আদালতের রায় এবং সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ

হাই কোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইতিমধ্যেই দেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মুসলিম পক্ষ। ‘হিন্দু ফ্রন্ট ফর জাস্টিস’-এর আবেদনের ভিত্তিতে দেওয়া হাই কোর্টের রায়টির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতে কাজী মইনুদ্দিন সুপ্রিম কোর্টে একটি বিশেষ অনুমতি আবেদন (এসএলপি) দাখিল করেছেন। শুক্রবারই এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে জরুরি শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক তৎপরতা

এদিকে রায় ঘোষণার পর প্রথম শুক্রবারের পুজো ও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে ধর জেলা জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। এতদিন প্রতি শুক্রবারে এই চত্বরে নমাজ পড়া হলেও, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শান্তি ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর পুলিশ প্রশাসনকেও সতর্কবার্তায় রাখা হয়েছে।

এক ঝলকে

  • মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের রায়ে ধার ভোজশালা চত্বরকে মন্দির হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে হিন্দু পক্ষকে পুজোর অধিকার দেওয়া হয়েছে।
  • এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অনুমতি আবেদন (এসএলপি) দাখিল করেছে মুসলিম পক্ষ।
  • দীর্ঘ ৭২১ বছর পর এই প্রথম কোনো শুক্রবারে এই চত্বরে নমাজের পরিবর্তে মা বাগদেবীর মহাআরতি ও বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।
  • শান্তি ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ধর জেলা এবং আশেপাশের এলাকায় প্রশাসন ব্যাপক নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *