মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি: বাংলায় বড় কর্মসূচি গেরুয়া শিবিরের, কী পরিকল্পনা? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি, বাংলায় বিশেষ জনসংযোগের পথে গেরুয়া শিবির
নরেন্দ্র মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও বড়সড় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আগামী ৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে চলবে এই বিশেষ প্রচার অভিযান। বর্তমানে রাজ্যের ক্ষমতায় আসায় গেরুয়া শিবিরের কাছে এবারের উদযাপন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দলীয় সূত্রের খবর, জনগণের সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে এবং সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের প্রচার চালাতে রাজ্যের সাংসদ ও বিধায়কদের সরাসরি ময়দানে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পুরো কর্মসূচির সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে।
তৃণমূল স্তরে বিশেষ জনসংযোগের রূপরেখা
দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ৮ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে বিশেষ জনসংযোগ অভিযান। প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিধানসভা এলাকায় সাংসদদের একদিন এবং প্রতিটি মণ্ডলে বিধায়কদের একদিন করে প্রবাস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি জেলায় অন্তত ৫০০ বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ, স্বচ্ছতা অভিযান, প্রগতি পথ যাত্রা ও জেলাস্তরে ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, প্রতিটি জেলায় তিন দিনব্যাপী মোদি সরকারের সাফল্যের প্রদর্শনী আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা তদারকি করবেন অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও তনুজা চক্রবর্তী।
জনকল্যাণ শিবির ও সামাজিক প্রচার
আগামী ১২ থেকে ২০ জুন রাজ্যজুড়ে ব্লকে ব্লকে ‘জনকল্যাণ শিবির’ অনুষ্ঠিত হবে। এই শিবিরগুলোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের উপভোক্তাদের রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এই কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন শাখারভ সরকার ও অভিজিৎ বিশ্বাস। এছাড়া বিভিন্ন পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ‘প্রবুদ্ধ সম্মেলন’, বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি পৌঁছাতে চাইছে বিজেপি। সাংগঠনিক জেলাস্তরে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে এই প্রচার কর্মসূচিকে আরও গতিশীল করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মোদি জমানার সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলোকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
