মা ক্যান্টিনের খাবারের মান যাচাইয়ে রূপা গাঙ্গুলী! পাঁচ টাকার মাছভাতের স্বাদে সন্তুষ্ট নেত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: সাধারণ মানুষের জন্য রাজ্য সরকারের স্বল্পমূল্যের খাদ্য প্রকল্প ‘মা আহার’-এর মান ও স্বচ্ছতা নিয়ে সরাসরি মাঠপর্যায়ে সরব হলেন রূপা গাঙ্গুলী। প্রকল্পের খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে রবিবার তিনি নিজেই পৌঁছে গেলেন রান্নাঘরে। পরিদর্শনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাতে যে খাবার দেওয়া হচ্ছে, তার স্বাদ নিজে খেয়ে পরখ করলেন তিনি।
কীভাবে চলল নজরদারি?
জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রকল্পের বাস্তাব পরিস্থিতি খুঁটিয়ে দেখা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাই ছিল এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য। রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা হচ্ছে কি না, তা তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেন। কর্মীদের রান্নার মান বজায় রাখার কড়া নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি দায়িত্বশীল হওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। রূপা গাঙ্গুলীর এই সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রকল্পটির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মা আহার: নতুন রূপে বাংলার রান্নাঘর
একসময়ের পরিচিত ‘মা ক্যান্টিন’ এখন ‘মা আহার’ নামে নতুন রূপে রাজ্যজুড়ে ৫০০টিরও বেশি কেন্দ্রে পরিষেবা দিচ্ছে। নামমাত্র পাঁচ টাকার বিনিময়ে পুষ্টিকর খাবার, বিশেষ করে বাঙালির প্রিয় ‘মাছভাত’ দুপুরের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত পরিবেশন করা হচ্ছে। রূপা গাঙ্গুলীর এই ব্যক্তিগত নজরদারি প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতাকে আরও একধাপ বাড়িয়ে দিল।
প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও মান বজায় রাখতে জনপ্রতিনিধিদের এমন সরাসরি হস্তক্ষেপকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন সাধারণ মানুষ। এখন দেখার বিষয়, এই ধরনের পরিদর্শনের ফলে মা আহার প্রকল্পের মান আগামী দিনে কতটা স্থিতিশীল থাকে।
