পাকিস্তানের দর্পচূর্ণ! বিশ্বকাপে ভারতের দুর্দান্ত জয়ের নেপথ্যে স্পিনাররা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
আইসিসি মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একবার নিজেদের অঘোষিত আধিপত্য প্রমাণ করল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। ১৭০ রানের একটি সম্মানজনক লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও, শেষ পর্যন্ত ভারতীয় স্পিনারদের দাপটে তাদের ব্যাটিং লাইন-আপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।
দীপ্তির ঘূর্ণিতে পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়
মুনিবা আলির ব্যাটে ভর করে পাকিস্তান শুরুতে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও, মূলত ভারতীয় স্পিন আক্রমণের সুশৃঙ্খল দাপটই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মার ঘূর্ণির সামনে পাকিস্তান কার্যত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। মাত্র ১০ রান খরচ করে ৫টি উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষের ইনিংস ধ্বংস করেন দীপ্তি, যার মধ্যে শেষ ওভারের টানা তিন উইকেটও রয়েছে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে তরুণ স্পিনার শ্রী চরণীও ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন।
অধিনায়কের সন্তুষ্টি ও করমর্দন বিতর্ক
ম্যাচ শেষে ভারতীয় অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর দলের এই পারফরম্যান্সে গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। চাপের মুখে স্মৃতি মন্ধানা ও দীপ্তি শর্মার দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি ‘বাংলার মেয়ে’ রিচা ঘোষের ইতিবাচক মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। হরমনপ্রীত জানান, ম্যাচে সুযোগ কাজে লাগানো এবং দুর্দান্ত ফিল্ডিংই জয়ের অন্যতম প্রধান কারণ। লিগ পর্বে নেট রান রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, ৬৪ রানের এই বিশাল জয় ভারতকে টুর্নামেন্টে বেশ সুবিধাজনক স্থানে পৌঁছে দিল।
তবে মাঠের এই লড়াই শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রথাগত করমর্দন না হওয়ার দৃশ্যটি ক্রিকেটমহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের উত্তাপ ও স্নায়ুর চাপ যে ম্যাচ শেষের পরেও অব্যাহত ছিল, এই ঘটনাই তার স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।
