মুক্তির পরই চড়কাণ্ডে অভিযুক্তদের গলায় মালা, জয়পুরের ঘটনায় বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দেশজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে তুমুল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। খাতায়কলমে রাজনৈতিক দল না হলেও এর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের ওপর জয়পুরে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। চড় মারার ঘটনায় আটক হওয়া দুই অভিযুক্ত জেল থেকে ছাড়া পেতেই তাঁদের মালা পরিয়ে বরণ করে নিয়েছেন সমর্থকরা। এই সময় ভিড়ের মধ্য থেকে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ও ‘ভারতমাতা কি জয়’ স্লোগান দেওয়া হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
হামলার সূত্রপাত ও প্রেক্ষাপট
সম্প্রতি নিট (NEET) কেলেঙ্কারি ও বেকারত্ব সমস্যার মতো সংবেদনশীল ইস্যু নিয়ে জয়পুরের শহিদ স্মারকে একটি বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন অভিজিৎ দিপকে। সমাবেশস্থলে অনুগামীরা যখন তাঁকে কাঁধে তুলে নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই দুই যুবক আচমকা ভিড়ের মধ্যে ঢুকে অভিজিৎকে লক্ষ্য করে পরপর চড় মারতে শুরু করেন। তাৎক্ষণিকভাবে ককরোচ পার্টির সমর্থকরা অভিযুক্তদের ধরে ফেলেন এবং পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগে তাঁদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই দুই যুবককে আটক করে।
ঘটনার প্রভাব ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
কারাগার থেকে অভিযুক্তদের মুক্তির পর এমন রাজকীয় সংবর্ধনা ও স্লোগান সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ঘটনা দেশের তরুণ সমাজের আন্দোলন ও বাকস্বাধীনতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। হিংস্রতাকে বীরত্ব হিসেবে তুলে ধরার এই প্রবণতা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘাত আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে হামলার শিকার হওয়ার পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন অভিজিৎ দিপকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাপুরুষরাই হিংস্রতার পথ বেছে নেয় এবং এই ধরনের আক্রমণ করে তাঁর কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। তরুণদের অধিকার এবং কর্মসংস্থানের দাবিতে তাঁদের এই আন্দোলন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি ঘোষণা করেছেন।
Men who attacked CJP founder Abhijeet Dipke being welcomed with garland and slogans. pic.twitter.com/oRYjNtdqGD
— Piyush Rai (@Benarasiyaa) June 16, 2026
