রবিবার যোগ দিবসে না গেলে কি কড়া ব্যবস্থা? হাইকোর্টে বিরাট স্বস্তি সরকারি কর্মীদের! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
কলকাতা: রবিবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অংশগ্রহণ কি বাধ্যতামূলক? জল্পনার মাঝেই কলকাতা হাইকোর্টে স্পষ্ট জবাব দিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার হাইকোর্টে রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হলো, যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া একেবারেই বাধ্যতামূলক নয়। কেউ না গেলে তাঁর বিরুদ্ধে সরকার কোনও কড়া পদক্ষেপ করবে না।
রাজ্য কোঅর্ডিনেশন কমিটির দায়ের করা একটি মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এই রিপোর্ট পেশ করে রাজ্য। সরকারের দাবি, শুধুমাত্র কর্মচারীদের উৎসাহ দিতেই ওই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল, কাউকে জোর করার বা বাধ্য করার কোনও উদ্দেশ্য সরকারের নেই। রাজ্যের এই স্পষ্ট ব্যাখ্যার পরই মামলার নিষ্পত্তি করে দেয় আদালত।
রাজ্যে সাজসাজ রব, আসছেন প্রধানমন্ত্রীও:
আগামী ২১ জুন যোগ দিবসে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত থাকবেন কলকাতায়। এই মেগা ইভেন্টকে ঘিরে গোটা রাজ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার কলকাতা পুরসভা থেকে মহাকরণ পর্যন্ত এক হাফ ম্যারাথনের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নিজেও এই দৌড়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
এই বিশেষ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ, সাঁতারু বুলা চৌধুরী, অ্যাথলিট জ্যোতির্ময়ী শিকদার, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং কেন্দ্রীয় আয়ুষমন্ত্রী প্রতাপ রাও যাদব-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
৫০০ নৌকায় যোগাসন ও আকর্ষণীয় ড্রোন শো:
হাফ ম্যারাথন শেষে মহাকরণের সামনে যোগাসন সেরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এ বার রাজ্যে যোগ দিবস নিয়ে যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা আগে কখনও হয়নি। এর জন্য আমরা সত্যিই গর্বিত।” তিনি জানান, এবার যোগ দিবস উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ হিসেবে ৫০০টি নৌকায় যোগাসনের বিশেষ ব্যবস্থা এবং আকর্ষণীয় ড্রোন শো-এর আয়োজন করা হয়েছে।
তবে সাধারণ সরকারি কর্মীদের জন্য নিয়ম শিথিল হলেও, স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে রাজ্যের সমস্ত আয়ুর্বেদিক হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ডিসপেনসারির কর্মী এবং পড়ুয়াদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত যোগাভ্যাস কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।
