‘ঘরছাড়া করেছিল সিপিএম, মানুষ তাড়িয়েছে…’, কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা, খুশি দিলীপ! – এবেলা

‘ঘরছাড়া করেছিল সিপিএম, মানুষ তাড়িয়েছে…’, কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা, খুশি দিলীপ! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

দীর্ঘ ২০ বছর পর কলকাতায় ফিরছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই সিপিএম এবং বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে একযোগে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সমসাময়িক একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে শাসকদলকে তুলোধোনা করেন তিনি।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের মূল বিষয়গুলি নিচে দেওয়া হলো:

  • তসলিমার প্রত্যাবর্তন ও মৌলবাদ: দিলীপ ঘোষ বলেন, “মৌলবাদীদের চাপে সিপিএম তসলিমা নাসরিনকে রাজ্যছাড়া করেছিল। তবে ভারতের সংস্কৃতি সর্বদা অত্যাচারিতদের পাশে দাঁড়ানোর।” তাঁর দাবি, যারা তসলিমাকে তাড়িয়েছিল, বাংলার মানুষ তাদেরই ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তিনি আরও বলেন, সিপিএমের মতো তৃণমূলও মৌলবাদীদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে এখন তার মাশুল গুনছে।
  • মদন মিত্র ও ইডি তলব: ইডি-র নোটিশ নিয়ে মদন মিত্রের তৎপরতা প্রসঙ্গে দিলীপের কটাক্ষ, “তৃণমূলে কে ভালো আর কে খারাপ, তা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। যারা অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কাছে সমন যাবেই।” তিনি পরিষ্কার জানান, ইডি-র হাত থেকে বাঁচতে নেতারা এখন যে দলেরই হোন না কেন, তদন্তকারী সংস্থা ক্লিনচিট না দিলে কেউ তাঁদের বাঁচাতে পারবে না।
  • তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও অভিষেক প্রসঙ্গ: সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ক্যামাক স্ট্রিট’ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে দিলীপ বলেন, “কল্যাণবাবু নিজেই বিভ্রান্ত। তৃণমূলের এই রাজনৈতিক নাটক এখন সবার সামনে চলে এসেছে।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদ থেকে সরালেই তৃণমূলের বর্তমান সংকট কাটবে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে তিনি সাফ জানান, “রোগ অনেক গভীরে পৌঁছেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেনেবুঝেই এদের মাথায় চড়তে দিয়েছেন। এখন শুধুমাত্র একজনকে বলির পাঁঠা করলে হবে না, তৃণমূলের এই সর্বনাশের জন্য দলের অনেকেই দায়ী।”
  • ব্রিগেডে শহিদ দিবস পালন: তৃণমূলের ব্রিগেডে ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ না করার সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওদের তো ব্রিগেডে জমায়েত করার মতো লোকই আর নেই। ক্ষমতা থাকলে তারা ব্রিগেডে সমাবেশ করুক। না হলে লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে কালীঘাটে বা ঘরের মধ্যে ছবিতে মালা দিয়ে সম্মানের সঙ্গে শহিদ দিবস পালন করুক।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *