ইসরো ছাড়ছেন ১০০ বিজ্ঞানী! আটকে যাবে ‘গগনযান’? মেগা-বিতর্কে মুখ খুলল কেন্দ্র – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ইসরোর (ISRO) অন্তত ১০০ জন বিজ্ঞানীর ইস্তফা এবং কুডনকুলাম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সম্ভাব্য সাইবার হামলা— এই দুই ইস্যুতে গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র জল্পনা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার আসরে নামল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জোড়া বিতর্কের জবাব দিয়ে স্পষ্ট জানালেন, এতে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।
ইস্তফা নিয়ে নয়া কড়াকড়ি ও কেন্দ্রের দাবি সম্প্রতি ইসরোর সদর দফতর থেকে ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (URSC) এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC)-সহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে একটি কড়া নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।
- নতুন নিয়ম: ‘গগনযান’-এর মতো হাই-প্রোফাইল প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত ‘গ্রুপ এ’ স্তরের বিজ্ঞানীদের ইস্তফা বা স্বেচ্ছাবসরের আবেদন আর আগের মতো সহজে মঞ্জুর করা হবে না। প্রতিটি আবেদন উচ্চস্তরে খতিয়ে দেখা হবে।
- মন্ত্রীর বক্তব্য: এই কড়াকড়িকে সম্পূর্ণ ‘প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন জিতেন্দ্র সিং। তাঁর কথায়, ইসরোর মতো বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের “আসা-যাওয়া তো থাকবেই।” অনেকেই চাকরি ছাড়েন, আবার নতুনরাও যোগ দেন, তাই এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
‘গগনযান’ মিশনের ভবিষ্যৎ কী? ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ডঃ এস সোমনাথ সম্প্রতি চেন্নাইয়ের একটি মহাকাশ স্টার্ট-আপে (অগ্নিকুল কসমস) যোগ দিয়েছেন। এর পরেই ভারতের স্বপ্নের মহাকাশ প্রকল্প ‘গগনযান’-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে মন্ত্রী জানান:
- গগনযান মিশন কোনও নির্দিষ্ট এক ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।
- নেতৃত্বে বদল এলেও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ এগোবে।
- অবসরপ্রাপ্ত বহু অভিজ্ঞ বিজ্ঞানী এখনও এই প্রকল্পে পেছন থেকে সাহায্য করে চলেছেন।
সুরক্ষিত কুডনকুলাম পরমাণু কেন্দ্র কুডনকুলাম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সাইবার হামলা ও তথ্য ফাঁসের যে জল্পনা ছড়িয়েছিল, তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
- তিনি আশ্বস্ত করেছেন, দেশের বৃহত্তম এই পরমাণু কেন্দ্র থেকে কোনও সংবেদনশীল তথ্য বাইরে যায়নি।
- গোটা বিষয়টি বর্তমানে ন্যাশনাল পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCIL) এবং সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা CERT-In যৌথভাবে খতিয়ে দেখছে।
