মায়ের জ্বর হলে কি শিশুকে দুধ খাওয়ানো বিপদজনক? আসল সত্য জানালেন বিখ্যাত চিকিৎসক – এবেলা

মায়ের জ্বর হলে কি শিশুকে দুধ খাওয়ানো বিপদজনক? আসল সত্য জানালেন বিখ্যাত চিকিৎসক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর নতুন মায়েদের মনে নানা ভয় ও সংশয় কাজ করে। বিশেষ করে নিজের জ্বর বা অসুস্থতায় সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানো ঠিক কি না, তা নিয়ে তৈরি হয় দ্বিধা। এর পাশাপাশি সম্প্রতি ভেজাল খাবার এবং তারকাদের ফিটনেস নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে জোর চর্চা চলছে। আসুন জেনে নিই এই ৩টি বিষয় সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

১. মায়ের জ্বর থাকলেও কি সদ্যজাতকে বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে?

আনন্দপুরের ফোর্টিস হাসপাতালের বিশিষ্ট শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. ঋতিকা ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, মায়ের জ্বর হলেও স্তন্যপান করানো সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং তা বন্ধ করা একদমই উচিত নয়।

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: জ্বর আসলে শরীরের ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি সাধারণ প্রক্রিয়া। এই সময়ে স্তন্যপান করালে মায়ের দুধের সাথে তৈরি হওয়া বিশেষ অ্যান্টিবডি শিশুর শরীরে পৌঁছায়, যা শিশুর ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে।
  • যেসব সতর্কতা মেনে চলবেন: দুধ খাওয়ানোর আগে মা ভালো করে হাত ধুয়ে নেবেন। সর্দি-কাশি থাকলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। খুব বেশি অসুস্থ বোধ করলে ব্রেস্ট পাম্প ব্যবহার করে অন্য কারো মাধ্যমেও শিশুকে দুধ খাওয়ানো যেতে পারে।

২. সাবধান! আসল পনিরের নামে বাজারে বিকোচ্ছে ক্ষতিকর ‘অ্যানালগ পনির’

বাজারে হুবহু আসল পনিরের মতো দেখতে হলেও এটি মোটেও খাঁটি দুধ দিয়ে তৈরি নয়! ‘অ্যানালগ পনির’ নামক এই কৃত্রিম পনিরে কোনো পুষ্টি বা ক্যালসিয়াম থাকে না।

  • শরীরের মারাত্মক ক্ষতি: সস্তা পাম অয়েল, ক্ষতিকর প্রোটিন, স্টার্চ ও কেমিক্যাল দিয়ে এটি তৈরি করা হয়—যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • কড়া আইনি পদক্ষেপ: জনস্বার্থ বিবেচনা করে ইতোমধ্যেই ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও গুজরাট রাজ্য সরকার এই অ্যানালগ পনির, কৃত্রিম বাটার ও ক্রিমের কেনাবেচা এবং উৎপাদনের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

৩. ৬০ বছর বয়সে কীভাবে ১৬ কেজি ওজন কমালেন সালমান খান?

বয়স ষাটের কোঠায় পৌঁছালেও ফিটনেসে এখনও নবীনদের টেক্কা দিচ্ছেন বলিউড ভাইজান সালমান খান। সম্প্রতি তাঁর রোগা চেহারা দেখে ভক্তরা উদ্বিগ্ন হলেও, আসল কারণটি নিজেই জানালেন অভিনেতা। আসন্ন চলচ্চিত্র ‘মাতৃভূমি’-র বিশেষ চরিত্রের প্রয়োজনেই তিনি ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন।

  • ডায়েট ও ওয়ার্কআউট সিক্রেট: ওজন কমাতে সালমান জোর দিয়েছেন ওয়েট ট্রেনিং ও কার্ডিও সেশনের ওপর। ডায়েট থেকে কার্বোহাইড্রেট সম্পূর্ণ ছেঁটে ফেলে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাচ্ছেন এবং নিয়ম করে দিনে মাত্র এক চামচ ভাত খাচ্ছেন!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *