নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে আজই প্রার্থী ঘোষণা ঋতব্রত শিবিরের, প্রতীক জট কাটাতে কি তৈরি প্ল্যান B? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 14, 20261:33 pm
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘাসফুল শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও প্রতীক নিয়ে জট এখন চরমে। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন হলেও, জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কোন শিবির পাবে—তা নিয়ে এখনও ঘোর অনিশ্চয়তা কাটেনি। ইতিমধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস শিবির দুই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেও, আজ সোমবার নিজস্ব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে চলেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এই দুই শিবিরের কাছে কিছু নথি তলব করায় এবং আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর শুনানির সম্ভাবনা থাকায়, উপনির্বাচনের আগে জোড়াফুল প্রতীক কার হাতে উঠবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। তবে এই পরিস্থিতিতেও নাছোড়বান্দা দুই শিবিরই। ঋতব্রত শিবিরের অন্যতম মুখ তথা বিধায়ক সন্দীপন সাহা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা নির্দল হিসেবে নয়, জোড়াফুল প্রতীক নিয়েই তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে ময়দানে নামবেন। প্রতীক না পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ‘প্ল্যান B’ কী হবে, তা আজকের বৈঠকেই চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, প্রতীক সংক্রান্ত এই জটিলতা ও বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করতেই মেজাজ হারাতে দেখা যায় মমতাপন্থী তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফোন করে প্রতীক সংক্রান্ত প্রশ্ন রাখতেই তিনি বিরক্ত হয়ে বলেন, “সকাল সকাল ফালতু প্রশ্ন করেন! ফোন তুলেছি বলে যা ইচ্ছে জিগ্গেস করবেন?”—বলেই সাংবাদিকের ফোন কেটে দেন তিনি।
উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী ও হুমায়ুন কবীরের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলিতে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৯ অক্টোবর। এখন দেখার বিষয়, ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতীক জট কাটাতে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয় এবং দুই শিবিরের রাজনৈতিক লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন মোড় নেয়।
